বুধবার দিল্লি মেট্রো রেল করপোরেশন (ডিএমআরসি) এক্সে পোস্ট করে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
এতে বলা হয়, নিরাপত্তাজনিত কারণে লোক কল্যাণ মার্গ, রাজীব চক, প্যাটেল চক, রামকৃষ্ণ আশ্রম মার্গ, বারাকাম্বা রোড, সুপ্রিম কোর্ট, সেবা তীর্থ, জনপথ, মান্ডি হাউস, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট, আইটিও, দিল্লি গেট, ইন্দ্রপ্রস্থ, খান মার্কেট, জোর বাগ এবং শিবাজি স্টেডিয়াম মেট্রো স্টেশনগুলি পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়েছে।
তবে রাজীব চক, মান্ডি হাউস এবং কেন্দ্রীয় সচিবালয়ে ইন্টারচেঞ্জ সুবিধা চালু থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
মূলত, মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ‘নিট’-এর প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে চলমান ছাত্র ও যুব আন্দোলন চরম উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে পৌঁছেছে।
বুধবার (২২ জুলাই) সকালের পার্লামেন্ট চত্বরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে বিক্ষোভ করেন বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যরা।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কংগ্রেসের প্রতিনিধিদল কালো পোশাক পরে পার্লামেন্টে হাজির হয়ে ফটকের বাইরে বিক্ষোভ করেন। সরকারবিরোধী বিক্ষোভে যোগ দিতে সমাজবাদী পার্টির (এসপি) এমপিরাও কালো স্কার্ফ পরেছিলেন। দলটির প্রধান অখিলেশ যাদবও বিক্ষোভে যোগ দিয়েছিলেন।
অন্যদিকে আজ থেকে শুরু হওয়া সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনের প্রথম দিনেই এই প্রশ্নফাঁস কেলেঙ্কারি ও দিল্লি বিক্ষোভ নিয়ে লোকসভা ও রাজ্যসভায় তুমুল হট্টগোল সৃষ্টি হয়। বিরোধীদের তীব্র স্লোগান ও প্রতিবাদের মুখে উভয় কক্ষের কার্যক্রম দফায় দফায় বিঘ্নিত হয় এবং শেষ পর্যন্ত অধিবেশন মুলতুবি ঘোষণা করা হয়।
এরআগে গতকাল মঙ্গলবার প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং গতকাল সোমবার ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ‘সংসদ চলো’ আন্দোলনে দিল্লি পুলিশের দমনপীড়নের প্রতিবাদে দিল্লির লোক কল্যাণ মার্গের সামনে বিক্ষোভে যোগ দেন কংগ্রেস নেতা রাহুল, প্রিয়াঙ্কা এবং কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেসহ অন্যান্য শীর্ষ নেতারা। এ ঘটনায় রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং কংগ্রেসের বেশ কয়েকজন নেতাকে দিল্লি পুলিশ আটক করে। পরে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর তিনি পাঁচ দফা দাবি জানান।
এনডিটিভি জানিয়েছে, বিরোধীদলীয় নেতা কেন্দ্রের কাছে পাঁচ দফা দাবি পেশ করেছেন। তিনি ছাত্রছাত্রীদের শোষণের জন্য সরকারকে অভিযুক্ত করেছেন এবং নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিতর্কের জেরে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পদত্যাগ দাবি করেছেন।
সূত্র: এনডিটিভি
এস