বুধবার জ্বালানি বিভাগের মুখপাত্র ও যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, দেশে জ্বালানির পর্যাপ্ত মজুদ থাকা সত্ত্বেও একটি মহল এ নিয়ে গুজব ছড়াচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভ্রান্তিকর তথ্যের কারণে অনেক ফিলিং স্টেশনে অপ্রয়োজনীয় ভিড়ও দেখা গেছে।

মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, বর্তমানে দেশে ৩১ দিনের ডিজেল, ২৫ দিনের পেট্রল এবং ৩৬ দিনের অকটেন মজুদ রয়েছে। ফলে জ্বালানি তেল নিয়ে উদ্বেগের কোনো কারণ নেই।

তিনি আরো জানান, প্রাকৃতিক গ্যাসের কিছুটা ঘাটতি রয়েছে। তবে নতুন গ্যাস উত্তোলনের পাশাপাশি অন্যান্য উদ্যোগের মাধ্যমে সরকার এ ঘাটতি মোকাবেলার চেষ্টা করছে। একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে (এফএসআরইউ) কারিগরি সমস্যার কারণে গ্যাস সরবরাহে কিছুটা প্রভাব পড়েছে। সমস্যা সমাধান হলে সিএনজি স্টেশনগুলোতে চাপও কমে যাবে।

যুগ্ম সচিব বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে যুদ্ধ শুরু হলেও বাংলাদেশের জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের প্রভাব পড়বে না। কারণ বাংলাদেশ যুদ্ধাক্রান্ত দেশগুলো থেকে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি করে না। আর অপরিশোধিত তেল আমদানির ক্ষেত্রে বিকল্প রুট ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে।

এস