ত্রিতা পারসি বলেন, ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেবেছিলেন, উপসাগরে বিমানবাহী রণতরী পাঠালে ইরানিরা যথেষ্ট ভয় পাবে এবং আত্মসমর্পণে বাধ্য হবে। কিন্তু তিনি বোঝেননি যে, এই শাসনব্যবস্থা যুদ্ধের চেয়ে আত্মসমর্পণকেই অনেক বেশি ভয় পায়।’ তার ব্যাখ্যা, ইরানের বর্তমান শাসক গোষ্ঠী বিশ্বাস করে তারা যুদ্ধে টিকে থাকতে পারবে, কিন্তু আত্মসমর্পণ করলে টিকে থাকা সম্ভব হবে না।

কুয়েতে মার্কিন দূতাবাস এলাকায় আকাশে ধোঁয়ার কুণ্ডলীকুয়েতে মার্কিন দূতাবাস এলাকায় আকাশে ধোঁয়ার কুণ্ডলী

তার ভাষায়, কেউ যদি আত্মসমর্পণে রাজি না হয়, ‘তাহলে শুধু নেতৃত্বের পর নেতৃত্বকে সরিয়ে দেওয়া নয়, কার্যত পুরো দেশকেই ধ্বংস করে দেওয়ার প্রয়োজন হবে।’ তিনি আরো বলেন, ‘ট্রাম্প প্রশাসন জানে না এতে কত সময় লাগতে পারে, এমনকি আদৌ তা সম্ভব কি না। আর সেই সময়ের মধ্যে ইরানের কৌশল হবে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর, মার্কিন সেনাদের ওপর, বৈশ্বিক অর্থনীতির ওপর, প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর ওপর এবং বৈশ্বিক বাজারের ওপর যতটা সম্ভব ক্ষতি চাপিয়ে দেওয়া—যাতে ট্রাম্পের পক্ষে এমন উদ্যোগ নেওয়া অত্যন্ত ব্যয়বহুল হয়ে ওঠে।’

এমএম