গত সপ্তাহে সিরিয়ার ইদলিবের আবু-জুহুর বিমানঘাঁটিতে হামলা চালায় ইসরাইল। ওই ঘাঁটিতে তুরস্ক সেনা মোতায়েনের চেষ্টা করছে—এমন দাবি করেছিল ইসরাইল। তবে তুরস্ক ও যুক্তরাষ্ট্র উভয়েই এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।
বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে তুরস্কের প্রেসিডেন্টের দপ্তর জানায়, নেতানিয়াহুর মতো ব্যক্তির ফাঁদে পা না দেওয়ার মতো যথেষ্ট অভিজ্ঞতা তুরস্কের রয়েছে। তাদের অভিযোগ, আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করাই নেতানিয়াহুর লক্ষ্য।
ইসরাইলি হামলায় বিমানঘাঁটির রানওয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে ইসরাইল দাবি করে, হামলার কয়েক ঘণ্টা আগে তুরস্কের একটি সামরিক প্রতিনিধি দল সেখানে গিয়েছিল। তবে আঙ্কারা এ দাবিও নাকচ করেছে।
সিরিয়ার একটি পর্যবেক্ষক সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, তুরস্কের প্রতিনিধি দলটি সেখানে গিয়েছিল বিমানঘাঁটিটি পুনর্গঠনের সম্ভাব্যতা যাচাই করতে।
তবে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু দাবি করেছেন, তুরস্কের সেনারা ওই ঘাঁটিতে উপস্থিত হয়েছিল। তার ভাষ্য, সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে তুরস্কের সামরিক উপস্থিতি ইসরাইলের নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করতে পারে।
ইসরাইলি আর্মি রেডিওকে নেতানিয়াহু বলেন, উত্তরাঞ্চলের দিকে তুরস্কের সামরিক বাহিনীর অগ্রসর হওয়া ইসরাইল মেনে নেবে না।
ফলে সিরিয়ায় তুরস্কের সম্ভাব্য সামরিক ভূমিকা ঘিরে আঙ্কারা ও তেলআবিবের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
সূত্র: দ্য নিউ আরব
এস