বাংলাদেশ সময় সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টায় সুইডেনের স্টকহোম থেকে ২০২৬ সালের চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেলজয়ীদের নাম ঘোষণা করে ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউট।
নোবেল পুরস্কারের সঙ্গে তিন বিজ্ঞানীই একটি করে মেডেল ও সনদপত্র পাবেন। এ ছাড়া তাঁদের মধ্যে মোট ১ কোটি ২০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা পুরস্কারের অর্থ ভাগ করে দেওয়া হবে। বর্তমান বিনিময়মূল্য অনুযায়ী এ অর্থের পরিমাণ প্রায় ১২ লাখ মার্কিন ডলার বা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা।
প্রতিবছর চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করে সুইডেনের স্টকহোমের ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউট। আর পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নে নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করে রয়্যাল সুইডিশ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্স।
কার্ল ডাইসারোথ, পিটার হেগেমান ও গেওর্গ নাগেলের গবেষণা স্নায়ুকোষের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ ও মস্তিষ্কের বিভিন্ন প্রক্রিয়া বোঝার ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে। বিশেষ করে আলো ব্যবহার করে নির্দিষ্ট কোষের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের প্রযুক্তি হিসেবে অপটোজেনেটিক্স স্নায়ুবিজ্ঞান গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হয়ে উঠেছে।
এই প্রযুক্তির মাধ্যমে নির্দিষ্ট স্নায়ুকোষকে আলো প্রয়োগের মাধ্যমে সক্রিয় বা নিষ্ক্রিয় করা সম্ভব হয়। ফলে মস্তিষ্কের বিভিন্ন কার্যক্রম এবং রোগের পেছনে থাকা প্রক্রিয়া নিয়ে গবেষণার নতুন পথ তৈরি হয়েছে।
এর আগে ২০২৫ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞান ও শারীরতত্ত্বে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন মেরি ব্রুনকো, ফ্রেড রামসডেল ও শিমন সাগাগুচি।
শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা কীভাবে জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াই করার সময় নিজের টিস্যু ও অঙ্গকে আক্রমণ করা থেকে বিরত থাকে—অর্থাৎ ‘পেরিফেরাল ইমিউন টলারেন্স’ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণার স্বীকৃতি হিসেবে তাঁদের নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছিল।
এস











