আলজাজিরাকে মাইকেল স্টেফেনস বলেছেন, “আমি বেশ কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেছি। যাদের আত্মীয় স্বজন মার্কিন বিমানবাহিনীতে কর্মরত আছেন। তাদের আত্মীয়দের (সেনা) বিমানবাহিনী থেকে মধ্যপ্রাচ্যে যাওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”

“যুক্তরাষ্ট্র এ অঞ্চলে সেনার সংখ্যা বৃদ্ধি করছে। যা অবশ্যই নির্দেশ করছে এখানো তারা সেনা জড়ো করছে।”

তবে কেন সেনাদের নিয়ে আসা হচ্ছে, এটির উদ্দেশ্য কি সেটি এখনো স্পষ্ট নয় বলে জানিয়েছেন মাইকেল।

তিনি বলেছেন, “আমার বর্তমান মূল্যায়ন হলো যুক্তরাষ্ট্র এ মুহূর্তে স্থল হামলা চালাতে পারবে না এবং কোনো জয়ের আশাও করতে পারবে না।”

আর যুদ্ধের বর্তমান অচলাবস্থাকে দুই দেশের জন্যই ‘কঠিন’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন মাইকেল। তিনি বলেন, “আমি মনে করি না এ মুহূর্তে কেউ জয় পাচ্ছে। আমরা সম্পূর্ণ অচলাবস্থার মধ্যে আছি।”

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও দখলদার ইসরায়েল। হামলার পর টান ৪০ দিন যুদ্ধ চলে। এরপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান নিজেদের মধ্যে ৬০ দিনের একটি যুদ্ধবিরতির চুক্তি করে। কিন্তু এরমধ্যেই আবার হামলা ও পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে। এ মুহূর্তে হামলা বন্ধ আছে।

সূত্র: আলজাজিরা

এমএম