মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ সময় শুক্রবার সকাল ১০টা ১২ মিনিটে চন্দ্রগ্রহণটি সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাবে।

ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে গ্রহণের সবচেয়ে স্পষ্ট দৃশ্য দেখা যাবে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে। এ ছাড়া ইউরোপ ও আফ্রিকার কিছু এলাকা থেকেও চাঁদ ওঠা বা অস্ত যাওয়ার সময় আংশিক গ্রহণ দেখা যেতে পারে।

গ্রহণের সময় চাঁদের বড় একটি অংশ পৃথিবীর গাঢ় ছায়ায় ঢেকে গেলেও এটি পুরোপুরি অদৃশ্য হবে না। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল ভেদ করে সূর্যের আলো চাঁদের পৃষ্ঠে পৌঁছানোর ফলে চাঁদ কিছুটা তামাটে বা লালচে রঙ ধারণ করতে পারে। এ ধরনের দৃশ্যকে প্রচলিতভাবে ‘ব্লাড মুন’ বলা হয়।

চন্দ্রগ্রহণের পুরো প্রক্রিয়া পাঁচ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলবে। তবে চাঁদের লালচে আভা দেখা যাবে তুলনামূলকভাবে অল্প সময়ের জন্য।

চন্দ্রগ্রহণ দেখার জন্য সূর্যগ্রহণের মতো বিশেষ সুরক্ষা চশমার প্রয়োজন হয় না। আকাশ পরিষ্কার থাকলে খালি চোখেই নিরাপদে এই মহাজাগতিক দৃশ্য উপভোগ করা যাবে।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

এনএইচ