ডিম
ডিম খাওয়া বেশ সহজ। এটি আপনাকে অনেকভাবেই তৈরি করে খেতে পারেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একটি বড় ডিমে প্রায় ৬-৭ গ্রাম প্রোটিন থাকে। তাই এসময় ডিম বেশ উপকারী হতে পারে। কারণ এটি সম্পূর্ণ প্রোটিন সরবরাহ করে এবং সেদ্ধ বা হালকা করে ভাজলে সাধারণত সহজে হজম হয়। তাই জ্বর থেকে সেরে উঠতে ডিম রাখতে পারেন আপনার খাদ্যতালিকায়।
দই
দই যেমন সুস্বাদু তেমনই পুষ্টিকর একটি খাবার। এটি প্রোটিনেরও একটি বড় উৎস। ধরনের ওপর নির্ভর করে প্রতি পরিবেশনে প্রায় ৮-১৫ গ্রাম প্রোটিন থাকে। এটি প্রোটিন, ক্যালসিয়াম এবং উপকারী ব্যাকটেরিয়া সরবরাহ করে। বেশি উপকারের জন্য টক দই খাওয়ার অভ্যাস করুন। বাড়িতে তৈরি করা দই হলে সবচেয়ে ভালো হয়।
নরম টফু
টফু অনেকের কাছেই প্রিয় একটি খাবার। জ্বর কিংবা অন্যান্য আরও অনেক অসুস্থতায় শরীরকে লড়াই করার শক্তি দিতে এই খাবার রাখতে পারেন আপনার খাবারের তালিকায়। এক কাপের চার ভাগের তিন ভাগ পরিমাণ টফুতে প্রায় ১০ গ্রাম প্রোটিন ক্যালসিয়াম এবং আয়রনের সাথে সম্পূর্ণ উদ্ভিজ্জ প্রোটিন থাকে। তাই জ্বর থেকে দ্রুত সেরে উঠতে এটি হতে পারে আপনার জন্য অন্যতম সহায়ক খাবার।
চামড়াবিহীন মুরগির মাংস
রান্না করা চামড়াবিহীন মুরগির মাংসে ৮৫ গ্রামে প্রায় ২১-২৫ গ্রাম প্রোটিন থাকে। এটি চর্বিহীন, উচ্চ-মানের প্রোটিন সরবরাহ করে এবং সেইসঙ্গে এটি হালকা স্যুপ হিসাবে বা সহজভাবে রান্না করে খাওয়া যেতে পারে। রান্না যেন সহজ পদ্ধতিতে হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। অনেক বেশি তেল কিংবা মসলা ব্যবহার করলে এটি সহজে হজমযোগ্য না-ও হতে পারে।
অল্প তেলে ভাজা বা ভাপানো মাছ
মাছের ওপর নির্ভর করে প্রতি ১০০ গ্রামে প্রায় ২০-২৫ গ্রাম প্রোটিন থাকতে পারে। এটি সহজে শোষিত প্রোটিন এবং ভিটামিন বি১২-এর মতো পুষ্টি উপাদান সরবরাহ করে। অতিরিক্ত মসলা, ভাজাভুজি বা অতিরিক্ত তেল ছাড়া তৈরি করলে এগুলো সাধারণত সহজে হজম হয়। তাই অসুস্থতা দূর করতে নিয়মিত বিভিন্ন মাছ খাওয়ার অভ্যাস করুন।
এমএম