ছাত্রলীগ হাল ধরলে দেশের নিরক্ষরতা দূর করতে আর লম্বা সময় লাগবে না বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) ৮ সেপ্টেম্বর ‘আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস’ উপলক্ষ্যে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী বলেন, ছাত্রলীগকে সারা বাংলাদেশে নিরক্ষরতা দূর করতে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। আমি মনে করি যথার্থভাবেই ছাত্রলীগ তাদের 'টার্গেটেড' সময়ের মধ্যেই ঘোষণা করবে বাংলাদেশে কোনো নিরক্ষরতা নেই।
তিনি বলেন, আমাদের পার্শ্ববর্তী তামিলনাড়ুতে ১০০ ভাগ শিক্ষিত। আমাদের দেশে এত সম্পদ রয়েছে। আমাদের সেই জায়গাতে যেতে আর লম্বা সময় লাগবে না যদি ছাত্রলীগ হাল ধরে।
'সাক্ষরতা অভিযান' শিরোনামে ছাত্রলীগের এ আয়োজনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় রিকসা চালায় এমন সাতজন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারজন হল ক্যান্টিন বালকের হাতে বই তুলে দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ২০০১ সালে যখন আমরা ক্ষমতা ছাড়ি তখন সাক্ষরতা হার ছিল ৬০ শতাংশ। ২০০৯ সালে যখন ক্ষমতা গ্রহণ করি তখন এই হার ৪০-৪১ শতাংশ। এই ধরনের ইতিহাস কোনো রাষ্ট্রে হয়েছে কিনা আমার জানা নেই।
মন্ত্রী বলেন, ২০০৮ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন বদলে দিবেন বাংলাদেশকে। তিনি যথার্থভাবেই তার ওয়াদা অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছেন।
তিনি বলেন, আপনারা ঘুরুন সারা বাংলাদেশে। নিজের চোখে দেখুন আমরা কোথা থেকে কোথায় যাচ্ছি। পায়রা বন্দরের দিকে চলে যান, কক্সবাজারের দিক দিয়ে চলে যান আমাদের নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎ কেন্দ্র হচ্ছে সেখানে চলে যান।
পৃথিবীর যেখানেই যাই আজকে আমাদের বলে না বাংলাদেশ থেকে আসছ, ভিন্ন লাইনে দাঁড়াও। আমাদের আজ সমীহ করে।
এসময় মন্ত্রী বলেন, আমি সারা বাংলাদেশে ঘুরে বেড়াই। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা দেখেছি।
ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য অধ্যাপক ড. খন্দকার বজলুল হক।





