বাংলাদেশে স্বয়ংক্রিয় মেধাসম্পদ নিবন্ধন ব্যবস্থা চালুতে সহায়তার জন্য বিশ্ব মেধাসম্পদ সংস্থার প্রশংসা করেছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু।

তিনি বলেছেন, এ পদ্ধতি চালুর ফলে বাংলাদেশের শিল্প উদ্যোক্তা ও উদ্ভাবকদের দ্রুত পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্ক নিবন্ধন সেবা দেয়া সম্ভব হচ্ছে। বাংলাদেশের কপিরাইট ব্যবস্থার উন্নয়নে বিশ্ব মেধাসম্পদ সংস্থা সহায়তা করতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন। 

জেনেভা সফররত শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু গতকাল সন্ধ্যায় জাতিসংঘের মেধাসম্পদ বিষয়ক সংস্থা এর মহাপরিচালক ড. ফ্রান্সিস গারি এর সাথে বৈঠককালে এ মন্তব্য করেন।

বৈঠকে বাংলাদেশসহ স্বল্পোন্নত দেশগুলোর মেধাসম্পদের মালিকানা সুরায় বিশ্ব মেধাসম্পদ সংস্থার ভূমিকা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়। 

বৈঠকে শিল্পমন্ত্রী বলেন, মেধাসম্পদ সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক ফোরাম হিসেবে ডব্লিউআইপিও সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মেধাসম্পদের উন্নয়ন ও সুরায় নীতি, তথ্য ও প্রযুক্তি সহায়তা দিতে পারে। এ সময় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মেধাসম্পদ একাডেমি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ এবং বাংলাদেশের জাতীয় মেধাসম্পদ নীতি ও উদ্ভাবন কৌশল প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় পরামর্শক সেবা প্রদানের জন্য মহাপরিচালককে ধন্যবাদ জানান। 

ড. ফ্রান্সিস গারি মেধাসম্পদের উন্নয়ন ও সুরায় বাংলাদেশ সরকার গৃহিত উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে কাঙ্খিত মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার জন্য বাংলাদেশকে জ্ঞানভিত্তিক শিল্পায়নের প্রতি বিশেষভাবে গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সৃজনশীল উদ্ভাবনে আগ্রহ সৃষ্টিতে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা বাড়ানোর পরামর্শ দেন। বাংলাদেশের মেধাসম্পদের উন্নয়নে বিশ্ব মেধাসম্পদ সংস্থার সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।

এএইচ