নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় জামাতার ছুরিকাঘাতে ওয়াহাব মিয়া (৫৮) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছে। পুলিশ অভিযোগ ওঠা ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে।

সোমবার (২১ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে আলীগঞ্জ মধ্যপাড়ায় এই ঘটনা ঘটে।

নিহত ওয়াহাব মিয়া আলীগঞ্জ মধ্যপাড়ার বাসিন্দা। সন্দেহভাজনের নাম আলমগীর হোসেন (৩২)। তিনি নিহত ব্যক্তির মেয়ের স্বামী ও স্থানীয় দাপা উকিলবাড়ি মোড় এলাকার বাসিন্দা।

ফতুল্লা মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ছালেকুজ্জামান নিহত ব্যক্তির স্বজনদের তথ্যের বরাতে বলেন, ওয়াহাব মিয়ার মেয়ে শাহনাজ আক্তারের সঙ্গে আলমগীর হোসেনের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে তাঁদের মধ্যে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয়ে ঝগড়া-ঝাঁটি চলছিল। এর জেরে বেশ কয়েক মাস ধরে তাঁরা আলাদা বসবাস করছেন। সোমবার রাত সাড়ে ৭টায় আলমগীর হোসেন তাঁর শ্বশুর বাড়িতে গেলে স্ত্রীর সঙ্গে বাগ-বিতণ্ডা হয়। ওই সময় ওয়াহাব মিয়া এগিয়ে এলে প্রথমে আলমগীরতাঁকে মারধর করেন। একপর্যায়ে তিনি ছুরি দিয়ে ওয়াহাব মিয়াকে আঘাত করেন।

এসআই ছালেকুজ্জামান জানান, স্থানীয় ওয়াহাব মিয়াকে শহরের ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে স্থানীয় লোকজন আলমগীর হোসেনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।

ফতুল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম মঞ্জুর কাদের বলেন, আলমগীর তাঁর শ্বশুরের বুকের বাম পাশে ছুরিকাঘাত করে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এমবি