একজন জর্দার ব্যবসায়ী বছরে সবচেয়ে বেশি কর দেন। এর স্বীকৃতি হিসেবে এ বছর তাঁকে ট্যাক্স কার্ড দেওয়া হবে। তিনি হলেন মো. কাউছ মিয়া। হাকিমপুরী জর্দা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের মালিক তিনি। বর্তমানে রাজধানীর আগা নওয়াব দেউড়ি লেনে থাকেন।

কাউছ মিয়ার আদিবাড়ী চাঁদপুর জেলায়। আশি-ঊর্ধ্ব এই প্রবীণ ব্যবসায়ীর জর্দার পাশাপাশি শিপিংসহ অন্য ব্যবসাও রয়েছে। চাঁদপুর অঞ্চলে তিনি দানশীল ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। এর আগেও তিনি কয়েকবার শীর্ষ ১০ করদাতার তালিকায় ছিলেন।

১৫ সেপ্টেম্বর জাতীয় আয়কর দিবসে কাউছ মিয়ার হাতে ট্যাক্স কার্ড তুলে দেবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

২০১৪-১৫ করবর্ষের জন্য ১০ জন করদাতাকে ট্যাক্স কার্ড দেওয়া হচ্ছে। এই ১০ জনের মধ্যে ছয়জনই এক পরিবারের। তালিকার দ্বিতীয় থেকে সপ্তম স্থান পর্যন্ত রয়েছেন এক পরিবারের সদস্যরা। তাঁরা হলেন মোহাম্মদ ইউসুফ, রুবাইয়াৎ ফারজানা হোসেন, লায়লা হোসেন, হোসনে আরা হোসেন, খাজা তাজমহল ও এম হায়দার হোসেন। তাঁরা পারিবারিকভাবে ওষুধের ব্যবসা করেন। এই পরিবারটি ড্রাগ ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী।

এ ছাড়া অষ্টম স্থানে রয়েছেন গাজী গ্রুপের পরিচালক সাংসদ গোলাম দস্তগীর গাজী। উৎপাদন, রিয়েল এস্টেট, গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন ব্যবসায় জড়িত গাজী গ্রুপ।

চট্টগ্রামের তৈরি পোশাক ব্যবসায়ী নাছির উদ্দিন নবম স্থানে আছেন। তিনি প্যাসিফিক জিনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। আর ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল মুক্তাদির দশম স্থানে রয়েছেন।

ট্যাক্স কার্ডধারীরা রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে নিমন্ত্রণ পাবেন। এ ছাড়া যেকোনো রাষ্ট্রীয় সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন। সম্প্রতি অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি) এ বছরের ট্যাক্স কার্ডধারীদের তালিকা প্রজ্ঞাপন আকারে প্রকাশ করেছে।

ব্যক্তিশ্রেণির করদাতা ছাড়া প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ট্যাক্স কার্ডও দেওয়া হবে। এ বছর যে ১০টি প্রতিষ্ঠান ট্যাক্স কার্ড পাচ্ছে, তাদের মধ্যে শীর্ষ স্থানে রয়েছে শেভরন বাংলাদেশ। অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো হলো: কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি, ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি, বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা), বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি (বাপেক্স), তমা কনস্ট্রাকশন অ্যান্ড কোম্পানি, সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড এবং কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন।

এএইচ