শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক রীতি সংলাপ। এর কোনো বিকল্প নেই। নাশকতা বন্ধ করে আলোচনা করতে হবে বলে জানিয়েছেন সাবেক সিইসি এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি এ টি এম শামসুল হুদা।

শুক্রবার সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতায় সৃষ্ট উদ্বেগ থেকে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে নাগরিক সমাজ।

এখানে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপি নেত্রীকে সংলাপের জন্য চিঠি দেওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে এম হাফিজউদ্দিন খান, ড. আকবর আলি খান, সিএম শফি সামি, ড. শাহদীন মালিক, সৈয়দ আবুল মকসুদ ও ড. বদিউল আলম মজুমদারসহ বিশিষ্ট নাগরিকগণ উপস্থিত ছিলেন।

গত সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) চলমান সঙ্কট নিরসনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে সংলাপের উদ্যোগ গ্রহণের জন্য চিঠি দেয় নাগরিক সমাজ।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সোমবার সন্ধ্যায় চিঠি দুটি পৌঁছে দেন জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার নেতা সাবেক সিইসি এ টি এম শামসুল হুদা।

অপরদিকে ‘নাগরিক সমাজে’র পক্ষে গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেনের প্রতিনিধি এ্যাডভোকেট প্রিন্স চঞ্চল মাহমুদ সোমবার সন্ধ্যার পর গুলশান কার্যালয়ে চিঠিটি পৌঁছে দেন।

গত ৭ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ‘জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া’ আয়োজিত গোলটেবিল আলোচনায় জাতীয় সংলাপের আহবান জানান সুশীল সমাজ ও রাজনৈতিক ব্যক্তিরা।

কেএইচ