বান্দরবান পার্বত্য জেলার বালাঘাটা এলাকায় ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফন্ট (ইউপিডিএফ) এর এক নেতাসহ অপর এক বাঙালিকে গুলি করেছে সন্ত্রাসীরা। শনিবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যায় বান্দরবানের বালাঘাটা এলাকায় হিন্দু মন্দিরের পেছনে কয়েকজন সঙ্গীকে নিয়ে আড্ডা দেন জেলা ইউপিডিএফ নেতা বিক্রম তংচঙ্গ্যা।
এ সময় সন্ত্রাসসীরা তাদের গুলি করে পালিয়ে যায়। ঘটনায় বিক্রম তংচঙ্গ্যা ও নাসির উদ্দিন পায়ে গুলিবিদ্ধ হন। বিক্রম তংচঙ্গ্যা জেলা ইউপিডিএফ এর সদস্য সচিব এবং নাসির একজন শ্রমিক।
পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে বান্দরবান সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে। এদিকে বিক্রমকে মুমূর্ষ অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায় চিকিৎসকরা।
এই ব্যাপারে হাসপাতালে চিকিৎসারত বিক্রম তংচঙ্গ্যা প্রতিবেদককে বলেন, ‘আমরা আড্ডা দেওয়ার সময় দুইজন লোক এসে আমাদের গুলি করে।’
২০১০ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি শহরের বালাঘাটা বাজারে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট এর বান্দরবান জেলার আহ্বায়ক ছোটন তংচঙ্গ্যাকে গুলি করলে তিনি প্রানে বেঁচে যান। এই ঘটনায় তৎসময়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) কে দায়ী করে ইউপিডিএফ।
ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট এর বান্দরবান জেলার আহ্বায়ক ছোটন তংচঙ্গ্যা বলেন, জেএসএস কর্মীরা আমাদের নেতাদের হত্যার উদ্দ্যেশে এই ঘটনা ঘটিয়েছে।
এদিকে পাহাড়ে জেএসএস এবং ইউপিডিএফর সংঘাত নতুন না হলেও বান্দরবানের ঘটনায় ইউপিডিএফ নেতার সঙ্গে এক বাঙালি গুলিবিদ্ধ হওয়ার কারণে স্থানীয়দের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে।
নাসির উদ্দিনের বোন রেহেনা আক্তার বলেন, ‘আমার ভাই বাঙালি তাকে কেন গুলি করেছে আমরা বুঝতে পারছিনা।’
এদিকে ঘটনার পর শহরের বালাঘাটা এলাকার স্থানীয়দের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে এবং সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
বান্দরবান সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) আমির হোসেন বলেন, ঘটনা তদন্ত করার আগে বলতে পারবো না এই ঘটনা কারা ঘটিয়েছে।
এএইচ





