কবরের উপর দিয়ে যাতায়াতে বাধা দেয়াতে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার নারিন্দয়া ইউনিয়নের ঘড়িয়া গ্রামে হযরত আলীর মেয়ে মাহমুদা আক্তার বৃষ্টি (৮) প্রতিবেশীর হামলায় টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। বৃষ্টি ঘড়িয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী।

জানা যায়, সাঈদ হোসেনের বড় ছেলে জামাল হোসেনে হযরত আলীর বাড়ির পাশে মৃত ছেলের কবরের উপর দিয়ে ধানের বোঝা আনানেয়া করতে ছিলেন। তা দেখে হযরত আলীর স্ত্রী জামাল হোসেনকে কবরের উপর দিয়ে যাতায়াত করতে নিষেধ করতে গেলে তাদের মাঝে কথাকাটি হয়।

কথাকাটির একপর্যায়ে জামাল হোসেন ও হযরত আলীর হাতাহাতি হয়। এরপ্রেক্ষিতে ৯ মে শনিবার সন্ধ্যায় দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সাঈদ হোসেন ও তাঁর ছেলে জামাল হোসেন (২৮), কামরুল হোসেন (১৮), ভাতিজা শাহীন (৩০), শাহ-আলম (৩৩) কে নিয়ে হযরত আলীর বাড়িতে হামলা করেন।

তারা হযরত আলী ও তাঁর স্ত্রীকে বাড়িতে না পেয়ে হযরত আলীর মেয়ে মাহমুদা আক্তার বৃষ্টিকে বাঁশের লাঠি দিয়ে পিটিয়ে ও দেশীয় অস্ত্র¿ দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মক ভাবে আহত করে, বাড়িঘর ভাঙ্গচুর করে।

পরে গ্রামবাসী বৃষ্টিকে মূর্মর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।

এ ব্যাপারে বৃষ্টির বাবা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন যার নং- (১২) ১০-০৫-১৫। এ ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে উঠে পরে লেগেছেন একটি প্রভাবশালী মহল। কিন্তু হৃদয়বিধারক এ ঘটনায় চরম ক্ষুব্ধ এবং ফুসে উঠেছেন এলাকাবসী হামলাকারীদের বিরুদ্ধে।

ঘড়িয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জামাল উদ্দিন মন্ডল জানান, বৃষ্টির উপর হামলাকরীদের শাস্তি হওয়া উচিত। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মেহেদী হাসান জানান, আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছি।

একজন আসামী পলাতক,একজন বিদেশে পালিয়ে গেছে আর বাকিরা জামিনে রয়েছে। মামলার বাদী হযরত আলী বলেন ওরা আমার মেয়কে মেরে ফেলতে চেয়েছিলেন, আমি ওদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

এসএইচ