অধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কুমিল্লার মুরাদনগরে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে পুলিশসহ ১৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শুক্রবার রাতে উপজেলার নয়াকান্দি ও রহিমপুর গোমতী বেড়িবাঁধ এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ শতাধিক রাউন্ড গুলি ছোড়ে।

এ ঘটনায় শনিবার সকালে মুরাদনগর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. খালেদ মোশাররফ বাদী হয়ে উভয় গ্রুপের ২৯ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও দেড় থেকে দুই শতাধিক নেতাকর্মীর নামে মামলা করেন।

আহতরা হলেন- মুরাদনগর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সিদ্দিকুর রহমান, মাহমুদুর রহমান, আনোয়ার হোসেন, সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মাহফুজুর রহমান ও কনস্টেবল সানাউল্লা, আওয়ামী লীগ নেতা জসিম, মোতালেব, বাদশা, সালাউদ্দিনসহ অন্তত ১০ জন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাতে উপজেলা সদরের পাশে নয়াকান্দি ও রহিমপুর গোমতী বেড়িবাঁধ এলাকায় পুকুর ও ডোবায় মাছ ধরা, অর্থ ভাগাভাগি ও এলাকায় অভিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও সদস ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদ এবং যুবলীগ নেতা আশরাফ গ্রুপের সমর্থকদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়।

এক পর্যায়ে সংঘর্ষ জড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে মুরাদনগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শতাধিক রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এ ঘটনায় পুলিশসহ উভয় গ্রুপের অন্তত ১৫ জন আহত হন। তাদের জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে মুরাদনগর থানার অফিসার ইন চার্জ (ওসি) মো. মিজানুর রহমান জানান, সংঘর্ষের সময় পুলিশের ৫ সদস্য আহত হয়। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শতাধিক রাউন্ড গুলি ছোঁড়ে পুলিশ। এ ঘটনায় থানার এসআই মো. খালেদ মোশাররফ বাদী মামলা করেছেন।

কেএইচ