ঝিনাইদহে নতুন করে বিদ্যুতের লোডশেডিং শুরু হয়েছে। শহরের অবস্থা একটু ভাল হলেও গ্রামের মানুষ বদ্ধ ঘরে রাতে ঘুমাতে পারছে না। এদিকে শহরের বিভিন্ন ফিডারে পালা করে লোডশেডিং করা হচ্ছে। এতে মানুষের মধ্যে বিরক্তি ভাব লক্ষ্য করা গেছে। প্রচন্ড গরমে জীবন যখন ওষ্ঠাগত তখন বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিং মানুষকে চরম ভোগান্তিতে ফেলে দিচ্ছে। শিশু, বৃদ্ধ ও স্কুল কলেজে পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।
পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহকরা ক্রমাগত লোডশেডিংয়ে হাফিয়ে উঠেছে। কিন্তু কোন প্রতিকার পাচ্ছে না। গ্রাহকের দিক থেকে ঝিনাইদহ পল্লী বিদ্যুৎ এগিয়ে থাকলেও সে তুলনায় বরাদ্দ নেই। ফলে গ্রামে বিদ্যুৎ বিল আদায় করতে গিয়ে প্রায় লাঞ্চনার শিকার হতে হচ্ছে কর্মকর্তাদের।
এ বিষয়ে ঝিনাইদহ ওয়েষ্টজোন পাওয়ার ডিষ্ট্রিবিউশনের (ওজোডোপাডিকো) নির্বাহী প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম জানান, বিদ্যুতের উৎপাদন না থাকায় ঝিনাইদহে ৪০ মেগাওয়াটের ঘাটতি পুরণে লোডসেডিং করতে হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, পল্লী বিদ্যুৎ ও ওজোপাডিকোর সর্বমোট চাহিদা হচ্ছে ৯০ মেগাওয়াট। কিন্তু পাওয়া যাচ্ছে ৫০ মেগাওয়াট। এতে গ্রাহকদের চাহিদা মেটাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। কবে নাগাদ এই দুর্বিসহ পরিস্থিতির উন্নতি হবে তা তিনি বলতে পারেন নি।
তারিক/জারিফ





