দাতা সংস্থাদের অর্থ ছাড় বন্ধ করে দিতে একটি কুচক্রী মহল ষড়যন্ত্র করছে।এছাড়া বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা সমিতি বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেন এফপিএবি’র সভাপতি অধ্যাপিকা খালেদা খানম।

বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা সমিতি আয়োজিত ‘এফপিএবি’র বর্তমান অবস্থা অবহিতকরণ’ শীর্ষক আয়েজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

খালেদা খানম বলেন, ‘২০১২ সালে নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই একটি স্বার্থান্বেষী মহলের প্ররোচনায় কমিটিকে ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছিলো। এরপর দাতা সংস্থা তাদের সমস্ত অর্থছাড় বন্ধ করে দেয়। এরপর আমরা মামলা করলে মহামান্য হাইকোর্ট আমাদের পক্ষে রায় দেওয়ায় এই কমিটি আবার দায়িত্ব ফিরে পাই। দাতা সংস্থাগুলো আবারও অর্থ বরাদ্দ শুরু করে। সেই কুচক্রি মহল আবারও এই কমিটির বিরুদ্ধে অপচেষ্টা লিপ্ত।’

তিনি বলেন, ‘এফপিএবি আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা থেকে প্রতি বছর ৪০ কোটি টাকা এবং বাংলাদেশ সরকারের কাছ থেকে ৮০ লাখ টাকা পায়। এই অর্থায়নে এক কোটিরও বেশি সংখ্যক দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করে আসছে। কিন্তু সেই স্বার্থান্বেষী মহলের অপচেষ্টায় দাতা সংস্থার অর্থছাড় বন্ধ হয়ে গেলে সেসব দরিদ্র জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা বন্ধ হয়ে যাবে এবং এই সমিতির প্রায় ২ হাজার ১শ কর্মকর্তা কর্মচারী চাকুরী হারাবে।’

স্বার্থান্বেষী মহল করা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘যারা গত নির্বাচনে পরাজিত হয়েছে তারা এবং এর বাইরেও কিছু লোক যারা এই সমিতির ভালো চান না, তারাই এই সমিতির বিপক্ষে অপপ্রচার চালাচ্ছে।’

এফপিএবি’র গঠনতন্ত্র অনুযায়ী চলতি বছরের অক্টোবরে শাখা পর্যায়ে এবং ডিসেম্বরে জাতীয় পর্যায়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে উল্লেখ করে নির্ধারিত সময়ে নতুন কমিটির কাছে নিয়মতান্ত্রিকভাবে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হবে বলে জানান তিনি।

দরিদ্র জনগণের স্বস্থ্যসেবা প্রদানকারী আন্তর্জাতিক সংস্থা এফপিএবি’র স্বার্থে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্শন করেন খালেদা খানম।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, এফপিএবি’র সাধারন সম্পাদক নাসির আহমেদ, নির্বাহী পরিচালক মতিউর রহমান প্রমুখ।

এমএ/ইআর