লালমনিরহাটের তিস্তা ও ধরলা নদীর তীরবর্তী পানিবন্দি লোকজনের মাঝে জেলা প্রশাসকের উদ্যোগে শুকনা খাবার, নগদ টাকা ও চাল বিতরন করা হচ্ছে।
গত ৫ দিন ধরে জেলার ৫ উপজেলায় পানিবন্দি লোকজনের মাঝে এ ত্রাণ বিতরণ চলছে। ত্রাণের মধ্যে ছিল ১৫০ মেঃ টন চাল, নগদ টাকা ও শুকনা খাবার।
হাতীবান্ধা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ফেরদৌস আহম্মেদ জানান, তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ওই উপজেলার ৬ টি ইউনিয়নে প্রায় ৯ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ে।
জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে হাতীবান্ধা উপজেলা। তাদের মাঝে বন্যার দিন থেকেই চিড়া, মুড়ি ও চিনি বিতরণ করা হচ্ছে।
গত ২ দিন ধরে ওই উপজেলায় ৪ হাজার ৪ শত পরিবারে বিপরীতে ৪৪ মেঃ টন চাল ও নগদ ৫ লক্ষ টাকা বিতরণ করা হচ্ছে।
লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক আবুল ফয়েজ মোঃ আলা উদ্দিন খান ও হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ এনামুল কবির ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম মনিটরিং করছেন। পযার্য়ক্রমে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ প্রতিটি পরিবারকে সহযোগিতা করা হবে।
এ দিকে জেলার পাটগ্রাম, কালীগঞ্জ, আদিতমারী ও সদর উপজেলায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার গুলোর মাঝে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
সরকার/জেড





