নোয়াখালীর চৌমুহনী পৌরসভার একটি পুকুর থেকে কামাল উদ্দিন(২৬) নামের এক যুবকের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবার দাবী পুলিশের গুলিতে তার মৃত্যু হয়েছে তবে পুলিশ তা অস্বীকার করছে।
রোববার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে পৌরসভার করিমপুর গ্রামের মিয়া বাড়ির পাশ্ববর্তী পুকুর থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত কামাল উদ্দিন ওই গ্রামের জয়নাল আবেদীন হাজারির (জয়নাল মিয়ার ) ছেলে। সে পেশায় একজন সিএনজি চালিত অটোরিকশা চালক।
নিহতের পরিবারের লোকজন অভিযোগ করে বলেন, শনিবার রাতের দিকে সিএনজি অটোরিকশা চালক কামাল তার গাড়িটি রেখে বাড়ির পাশ্ববর্তী একটি চা দোকানে অবস্থান করছে।
সিএনজি যোগে চৌমুহনী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই জসিমের নেতৃত্বে ৩জন পুলিশ টহলে ওই এলাকায় আসে।
পরে কামালকে দোকানে বসে থাকতে দেখে টহলরত পুলিশ তাকে দাঁড়া বলে পেছন থেকে ডাক দেয়। এতে ভয় পেয়ে দোকান থেকে দৌঁড়ে ভৌতলির বাড়ির একটি পুকুরে গিয়ে পড়লে পুলিশ তাকে লক্ষ করে গুলি করে।
পরে ঘটনার জানাজানি হলে রোববার সকালে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে ওই পুকুর থেকে কামালের লাশ উদ্ধার করে।
জানতে চাইলে চৌমুহনী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (এসআই) জসিম উদ্দিন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, রাতে আমাদের কোন পুলিশ করিমপুরের দিকে যায়নি। আর এভাবে পুলিশ কাউকে গুলিও করতে পারেনা।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আশরাফুজ্জামান দৌলা জানান, খবর পেয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নোয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ময়না তদন্ত রির্পোট পাওয়ার পর ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এমকে





