ভোলার চরফ্যাশন সিরাজুল ইসলাম(৫৫) ও কামরুল ইসলাম(৩৫) নামের দুই হরিণ শিকারীকে ৫০ হাজার টাকা জড়িমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালতের নিবার্হী ম্যাজিট্রেট ও উপজেলা নিবার্হী অফিসার মোহাম্মদ মনোয়ার হোসেন।
থানা সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টায় হিন্দুপল্লী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চৌ-মাথায় চরমাদ্রাজ ৩নং ওয়ার্ডে সাধারণ মানুষ বস্তায় হরিণের গোস্তসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করে। পুলিশকে সংবাদ দিলে চরফ্যাশন থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদএনামুল হক গিয়ে তাদেরকে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন।
আটককৃতরা হলেন, সিরাজুল ইসলাম বাড়ী বরিশালের বন্দর থানার দিনারপোল এলাকায় এবং কামরুল ইসলাম কাশিরপুর ২৮নং ওয়ার্ডে বলে জানা গেছে।
আটক সিরাজুল ইসলাম জানান, তারা মঙ্গলবার বিকাল ৩ টার সময় মনপুরার কালকিনি এলাকা থেকে ২টি হরিণ শিকার করেছে। জবাই করে বস্তায় করে ট্রলার যোগে মাদ্রাজ নেমেছে। পথে রিক্সা যোগে রক্তমাখা বস্তা দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হলে বস্তা খুলে দেখে হরিণের গোস্ত। ৩০/৩২ কেজি হরিণের গোস্তের মধ্যে ২০/২৫ কেজি গোস্ত স্থানীয়রা লুটপাট করে নিয়ে গেছে বলে তারা জানান।
চরফ্যাশন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মু.এনামুল হক জানান, বুধবার সকাল ১১ দিকে তাদেকে চরফ্যাশনে ভ্রাম্যমান আদালতে হাজির করা হলে ভ্রাম্যমান আদালতের নিবার্হী ম্যাজিট্রেট দুই শিকারীকে ২৫হাজার টাকা করে ৫০ হাজার টাকা জড়িমানা করেন। এছারা সিরাজুল ইসলামের নামে একটি লাইসেন্সকৃত বন্ধুক রয়েছে। ৩১ ডিসেম্বর/ ১৬ তারিখে তার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। ওই বন্ধুক দিয়ে হরিণ শিকার করা হয়েছে। সিরাজুল ইসলাম বরিশালের নতুল্লাবাদের ষ্টেশনারী ব্যবসায়ী ও কামরুল ইসলাম মুরগীর ব্যবসা করে বলে জানা যায়।
কামরুজ্জামান শাহীন/এমই





