কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে বর্ষবরণ উৎসব পালনকে কেন্দ্র করে দু’গ্রুপের মধ্যে সংষর্ষে দুজন গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।
বুধবার গভীর রাতে উপজেলার পাকুরিয়া গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে বিপন নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে।
গুলিবিদ্ধ দুই মহিলাসহ আহতদের ১০ জনকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হচ্ছেন, আহতরা হলেন- উপজেলার পাকুরিয়া গ্রামের শহিদুল ইসলামের স্ত্রী রেহেনা খাতুন (৩৫) একই গ্রামের মৃত ইতিম বিশ্বাসের ছেলে সুকতাল বিশ্বাস (৬০) গাজী বিশ্বাসের স্ত্রী আনজুরা (৫৫) মেয়ে স্বপ্না (১৩) ববিতা (৩০) মৃত জালাল বিশ্বাসের ছেলে গাজী বিশ্বাস (৫৫) ফজু মন্ডলের ছেলে আসাদুল (২২), সলেমান মন্ডলের দুই ছেলে মহিবুল(২৪), সলেমান মন্ডলের স্ত্রী রেনু (৪৫) আমিরুল (১৭)।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হক জানান, থার্টি ফার্স্ট নাইট উপলক্ষে বুধবার রাতে উপজেলার পাকুড়িয়া ভাঙ্গাপাড়া গ্রামে একটি উৎসবের আয়োজন করে স্থানীয় যুবকেরা। এই উৎসব চলাকালীন সময় নাচানাচি এবং গান বাজানোকে কেন্দ্র করে গভীর রাতে দু’গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়।
এসময় উভয় পক্ষের লোকজনই ধারালো অস্ত্রের পাশাপাশি আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে একে ওপরের উপর হামলা চালায়। সংঘর্ষে রেহেনা খাতুন এবং সুকতাল বিশ্বাস গুলিবিদ্ধসহ উভয়পক্ষের কমপক্ষে ১৫ জন আহত হন। আহতদের রাতেই কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে এনে ভর্তি করা হয়।
এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ ওই গ্রাম থেকে বিপন (২৭) নামের একজনকে আটক করেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
ইআর





