রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সোমবার বিকালে যশোরে জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স উদ্বোধন করেছেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধারা দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান। আমি নিজেও মুক্তিযোদ্ধা। তাই মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে নির্মিত এরকম একটি কমপ্লেক্সের উদ্বোধন করতে পেরে আমি আনন্দিত।’

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘যশোরে খুব একটা আসা হয় না। একাত্তরে প্রথম শত্রুমুক্ত হয় এই জেলা। এ জেলার সকল শ্রেণী-পেশার মানুষকে আমি অভিনন্দন জানাচ্ছি।’

বিকাল ৩টায় যশোর কালেকটরেটের কাছে নবনির্মিত এ মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স উদ্বোধন করেন রাষ্ট্রপতি। পরে দেশ ও জনগণের সমৃদ্ধি কামনা করে মোনাজাত করা হয়। এসময় সেখানে মুক্তিযোদ্ধাবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, যশোর-২ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক ড. হুমায়ুন কবীর, পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ জেলা কমান্ডের কমান্ডার রাজেক আহমেদসহ বিভিন্ন উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডাররা উপস্থিত ছিলেন।

সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স নির্মাণের উদ্যোগ নেয় বর্তমান সরকার। এই প্রকল্পের আওতায় এক কোটি ৪২ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে যশোর জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন।

এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় হেলিকপ্টারযোগে যশোর সেনানিবাসে আসেন রাষ্ট্রপতি। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় যশোর সেনানিবাসে সেনাবাহিনীর সিগন্যাল কোরের অধিনায়ক সম্মেলন ও কোর পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণ দেবেন রাষ্ট্রপতি। অনুষ্ঠান শেষে দুপুরে তিনি হেলিকপ্টারযোগে ঢাকা ফিরে যাবেন।

জেআই