প্রস্তাবিত শিক্ষা আইনের সাতটি উপধারা সংশোধন কিংবা বাতিলের দাবিতে পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতারা সব জেলায় দোকান বন্ধ রেখেছে।
একই দাবিতে রোববার সকাল ১১টা থেকে শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে তারা।
পরে দুপুর ১টায় শহীদ মিনার থেকে সচিবালয় অভিমুখে পদযাত্রা শুরু করেন পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির নেতারা। সেখানে শিক্ষামন্ত্রীকে তাদের স্মারকলিপি দেয়ার কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি (বাপুস) এ কর্মসূচির আয়োজন করেছে।
সমিতির সহসভাপতি শ্যামল পাল শনিবার দুপুরে জানান, শিক্ষা আইনের ২(৩১), ৭(৬)(৯)(১১)(১২) ও ২১(৫)(৬) ধারা জনস্বার্থবিরোধী। এসব ধারা বাস্তবায়িত হলে প্রকাশনা শিল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত ২৫ লাখ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
পাশাপাশি সৃজনশীল পুস্তক প্রকাশনাসহ অন্যান্য বই ছাপা ও পৃষ্ঠপোষকতা বন্ধ হয়ে যাবে বলে আশংকা প্রকাশ করেন তিনি।
শ্যামল পাল বলেন, এই শিল্পের সঙ্গে কেবল প্রকাশকরাই জড়িত নন। এর সঙ্গে মুদ্রাকর, বাঁধাইকারী, ছাপাখানার শ্রমিক ও বই ব্যবসায়ীরা জড়িত।
এই সাতটি উপধারা বাতিলের দাবিতে আজ সব দোকান বন্ধ রয়েছে।
আইনে সহায়ক গ্রন্থ প্রকাশের ক্ষেত্রে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) অনুমোদন ব্যবস্থা প্রবর্তনের কথা বলা আছে। কিন্তু এই ব্যবস্থার আড়ালে প্রকারান্তরে পুস্তক ব্যবসা বন্ধের ষড়যন্ত্র হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন শ্যামল পাল।
ওএফ





