সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি বলেছেন, সাম্প্রদায়িক উগ্রবাদীরা অর্থ, অস্ত্র এবং সাংগঠনিক দিক দিয়ে ভয়ঙ্কর অবস্থান তৈরি করেছে ইতোমধ্যে। এদের রুখতে খন্ড খন্ড দুর্বল ও নিরীহ মানববন্ধন করে লাভ হবেনা। উগ্রবাদীদের অবস্থানে ফাটল ধরাতে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে প্রবল গণজাগরণ সৃষ্টি করতে হবে।

মন্ত্রী আজ শনিবার মহাখালী বাস টার্মিনালে ঢাকা-সিলেট রুটে চলাচলের জন্য আরামদায়ক এবং অভিজাত বাস সার্ভিস উদ্বোধনকালে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, পরিবহন এবং সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এখন আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ। যানজট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বড় বড় সেতু, মহাসড়ক চারলেনে উন্নীত করা, মেট্রোরেল, উড়াল সড়ক, উড়ালসেতু নির্মাণ করে যানজট কমবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত ঢাকা মহানগরীর ফুটপাত পথচারিদের চলাচলের জন্য ফিরিয়ে দেয়া না হবে এবং ছোট আকারের পরিবহন নিয়ন্ত্রণ করা না যাবে।

এসময় মন্ত্রী ২০২০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনা বর্তমানের চেয়ে অর্ধেকে নামিয়ে আনতে সরকারের টার্গেট অর্জনে পরিবহন মালিক-শ্রমিকসহ সকল অংশিজনের সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ এবং বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

নৌপরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খান বলেন, ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে যে জাতীয় ঐক্য গড়ে উঠেছে তার ভিত্তিতে বাংলাদেশ থেকে সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ নির্মূল করা হবে। তিনি বলেন, নৌ দূর্ঘটনার সংখ্যা ক্রমশ কমে আসছে। মন্ত্রণালয়ের গৃহিত ব্যবস্থার ফলে ২০১৬ সালে কোন নৌ দূর্ঘটনা ঘটবেনা বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এনা পরিবহনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্যাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ-বিআরটিএ’র চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়াসহ বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি, শ্রমিক ফেডারেশনের নেতৃবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

পরে মন্ত্রী এনা পরিবহনের কোরিয়া হতে আমদানীকৃত শীততাপ নিয়ন্ত্রিত ছয়টি বাস ঢাকা-সিলেট রুটে যাত্রী পরিবহনের জন্য আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

এমআইএস/ইআর