নানান জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০১৮ ভোট গ্রহণ চলছে। সকাল থেকেই বেলা সাড়ে এগারটা পর্যন্ত রজধানীর কিছু কিছু কেন্দ্রে ধানের শীষের এজেন্ট ঢুকতে না দেয়ার অভিযোগ পেলেও ভোটারদের অনেকটা শান্তিপূর্ণ ভাবেই ভোট প্রদান করছে। তবে দু এক জায়গায় প্রার্থীরা কেন্দ্রে এসে ভোট দিলেও কোথাও বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের সেভাবে দেখা যায় নি।

ব্যতিক্রম আওয়ামী লীগে । উৎসবের আমেজ বইছে তাদের প্রতিটি নেতাকর্মীর মাঝে।

রোববার সকাল সাড়ে আটটা থেকে বেলা সাড়ে এগারোটা পর্যন্ত রাজধানীর মতিঝিল, বেইলি রোড, শাহজাহানপুর ও খিলগাঁও ঘুরে এসব চিত্র দেখা গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, প্রতিটি কেন্দ্রের বাইরে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা দলীয় ব্যাজ পরে দলে দলে মহাড়া দিচ্ছে। কোথাও টেবিল রেখে নৌকার ভোটারদের সহযোগিতা করছে। তবে তাদের অপরিচিত অথবা ভিন্ন মতের মনে হলে তাদেরকে সহযোগিতা না করে চলে যেতে বলতে দেখা গেছে।

ভোটাররা নাম্বার খুঁজে পেতে বিড়ম্বনার শিকার হচে্ছন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অনেকে শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়ে ভোট না দিয়েই কেন্দ্র থেকে চলে গেছেন। এমন দৃশ্য দেখা গেছে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল কেন্দ্রে।

এ বিষয়ে প্রিসাইডিং কর্মকর্তার দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, আমরা আলাদা করে ভোটার নাম্বার বের করে দেয়ার জন্য কোন ভুথ বসানোর বিষয়ে নির্দেশনা পাই নি। তবে কেউ নাম্বার ছাড়া চলে আসলে পোলিং অফিসারদের বলেছি তাকে সহযোগিতা করার জন্য।

কিছু কিছু কেন্দ্রে ধানের শীষের এজেন্ট দেখা গেলেও সব কেন্দ্রেই নৌকা প্রতীকের এজেন্ট দেখা গেছে। 

প্রায় প্রতিটি কেন্দ্রেই সকাল থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ২৫ থেকে ৩০ শর্তাংশ ভোট কাস্ট হয়েছে বলে প্রিসাইডিং কর্মকর্তরা জানিয়েছেন। 

এ ছাড়া ঢাকা কলেজ কেন্দ্রে কোন পর্যবেক্ষক বা সাংবাদিকদের প্রবেশ করতে দিচ্ছে না সেখানকার প্রশাসন। এ বিষয়ে আইজিপির দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখছি। 

ঢাকা-১৫ আসনের ধানের শীষের মিডিয়া সমন্বয়ক আতাউর রহমান সরকার অভিযোগ করেছেন, ৭০টি কেন্দ্রে তাদের এজেন্টকে ঢুকতে দেয়নি পুলিশ এবং নৌকার সমর্থকরা। তিনি অভিযোগ করেন, তাৎক্ষণিক বিষয়টি বিজিবি এবং একজন মেজিস্ট্রেটকে জানানো হলেও তারা কোনো প্রতিকার নেন নি।