বাস ও মাহেন্দ্র শ্রমিক সংগঠনের দ্বন্দ্বের জের ধরে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যানের গাড়ি ভাংচুরের ঘটনায় গোপালগঞ্জ ও টুঙ্গিপাড়া উপজেলাবাসীর মধ্যে সংঘর্ষে এক পুলিশসহ কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার সকাল ও দুপুরে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চর বয়রা ও ঘোনাপাড়া এলাকায় এসব এ ঘটনা ঘটে।

এ সময় সদর উপজেলার ঘোনাপাড়া মোড়ে ঘোনাপাড়া মোড়ে দোকান ও বাড়িতে ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠি চার্জ ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে।

গোপালগঞ্জ সদর থানার পরিদর্শক তদন্ত মো. সেলিম রেজা জানান, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আইনশৃঙ্খলা মিটিংয়ে যোগ দিতে আসছিলেন। ঘটনাস্থলে তার গাড়ি পৌঁছলে গোপালগঞ্জ বাস মালিক সমিতির শ্রমিকরা সরকারি গাড়িটির গতিরোধ করে ও হামলা চালায়। এতে তার গাড়ির সামনের গ্লাস ভেঙ্গে যায়। এ সময় ভাঙ্গা কাচের টুকরো শরীরের লাগলে তিনি ও তার ড্রাইভার আহত হন।

পরে এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে তার সমর্থকরা বিভিন্ন যানবাহনে করে সদর উপজেলার ঘোনাপাড়া মোড়ে এসে অবস্থান নেয়। সে সময় তারা ২৫টি দোকান ও বাড়িতে ভাংচুর করে ও লুটপাট চালায়। টুঙ্গিপাড়াগামী একটি প্রাইভেটকার ভাংচুর করতে গেলে পুলিশ লাঠিচার্জ ও ২২ রাউন্ড রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সে সময় এক পুলিশসহ কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

উভয় উপজেলার লোকদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করায় টুঙ্গিপাড়া উপজেলার খালেকের বাজার ও সদর উপজেলার ঘোনাপাড়া মোড়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছেন টুঙ্গিপাড়া থানার অফিসার ইন চার্জ (ওসি) মো. মনির হোসেন।

কেএইচ