অবৈধভাবে অনুপ্রবেশকারী ৩০ বাংলাদেশিকে দীর্ঘদিন আটকে রাখার পর ফেরত দিলো ভারত।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সিলেটের জকিগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে তাদেরকে হস্তান্তর করে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। এদের অধিকাংশ প্রায় ২ থেকে ২৩ বছর পর্যন্ত ভারতের কারাগারে আটক ছিলো।
হস্তাান্তর প্রক্রিয়ায় উপস্থিত ছিলেন ভারতের আসামের করিমগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দেবজিত নাথ ও ইন্সপেক্টর আব্দুল ওয়াকিল এবং সিলেটের জকিগঞ্জ ইমিগ্রেশন অফিসার এসআই রফিকুল ইসলাম ও জকিগঞ্জ থানার এসআই মিজানুর রহমান।
ফেরত পাঠানো ৩০ বাংলাদেশি হলেন কক্সবাজারের নুরুল আলম (৩২), আরিফুল হাকিম (৩৮), বগুড়ার আবুল কালাম আজাদ (৩৩), ব্রাহ্মনবাড়ীয়ার ওয়াহিদুল হক (৩৫), নাটোরের বাবুল সর্দার (৫২), ইউনুছ আলী (৩১), কুমিল্লার মোহাম্মদ জাবেদ (৪৮), মুমিন আলী (৩৭), কার্তিক চন্দ্র শীল (৪৮), আবুল খায়ের (৩০), ফরিদপুরের মোজাহার মোল্লা (৩৯), সাহেলা আক্তার (২৩), কুড়িগ্রামের সাদ্দাম হোসেন (২৩), জাহাঙ্গির আলম (২৭), পাবনার ফজর আলী মোল্লা (৩৭), সাতক্ষিরার আজবাহার পিয়াদা (৬৫), চাঁদপুরের নুর মোহাম্মদ গাজী (৫৫), নেত্রকোনার সুচিত্রা বিশ্বাস (৪৩), আবুল কাশেম (৫০), ময়মনসিংহের আসমা বেগম (৩৭), সিলেটের আব্দুল কুদ্দুস (৪৫), খাগড়া ছড়ির নুরুল আমিন (৩০), জামালপুরের চাঁন্দ মিয়া ওরফে কাওছার আহমদ (৪৯), পঞ্চগড়ের ইলিয়াছ আহমদ (৩০), জাহাঙ্গির আলম (৩৩), দিনাজপুরের জাহাঙ্গির আলম সম্ভু (৩৭), সুনামগঞ্জে লক্ষন চক্রবর্তী (২৭), খুলনার আবুল কালাম মোল্লা (৪৯), চুয়াডাঙ্গার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ (৪৬), চট্টগ্রামের আশীষ দাস (৫১)।
হস্তান্তর প্রক্রিয়া শেষে ভারত ফেরত প্রত্যেককে তাদের স্বজনদের কাছে বুঝিয়ে দেয় পুলিশ।
এ বিষয়ে জকিগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুদীপ্ত রায় বলেন, ভারত থেকে ফেরত পাঠানো বাংলাদেশিরা ২ থেকে সর্বোচ্চ ২৩ বছর পর্যন্ত বিভিন্ন কারাগারে সাজা ভোগ করেছেন। সঠিক নাম পরিচয় না থাকার কারণে তারা দীর্ঘদিন সাজা ভোগ করেছেন। পরবর্তীতে ভারতীয় হাই কমিশনের মাধ্যমে নাম পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পরে তাদেরকে হস্তান্তর প্রক্রিয়া শুরু হয়।
জেড





