ভোলাকে মেঘনার ভাঙ্গন থেকে দ্রুত রক্ষায় প্রতিরোধে একনেকে জমাকৃত প্রকল্প পাশ ও সিসিব্লক ফেলে তীর সংরক্ষণের দাবিতে বুধবার দুপুরে ভোলা শহরের সদর রোডে বিশাল মানববন্ধন,বিক্ষোভ মিছিলসহ পানি উন্নয়ন বোর্ড ঘেরাও করেছে। এ সময় ভোলা-চরফ্যাসন আঞ্চলিক মহা সড়ক অবরোধ করা হয়।

ইলিশা ফেরিঘাট ও ভোলা বাঁচাও সংগ্রাম কমিটির আয়োজনে বুধবার বেলা সাড়ে ১১ টায় ইলিশা ও রাজাপুর ইউনিয়ন থেকে কয়েক হাজার নারী পুরুষ শহরের বাংলা স্কুল থেকে কে জাহান মার্কেট সড়ক,বরিশাল দালান সড়কে বিশাল মানববন্ধন করে।

এ সময় মানববন্ধনে একাত্বতা ঘোষনা করে বক্তব্য রাখেন ভোলা পৌরসভার মেয়র মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, ভোলা সদর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ ইউনুস, উত্তর উত্তর ভোলা বাঁচাও সংগ্রাম কমিটির আহবায়ক সাঈদ আলী, সাংবাদিকদেও পক্ষ থেকে জনকন্ঠের প্রতিনিধি হাসিব রহমান,আফজাল হোসেন,ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আবিদুল আলম প্রমুখ।

এ সময় বক্তারা বলেন, গত ৭৬ দিনে ভোলার সদর উপজেলার রাজাপুর ও পূর্ব-ইলিশা ইউনিয়নের প্রায় সাড়ে ৪ কিলোমিটারের অধিকাংশ এলাকার ২ হাজার ঘর-বাড়ি, সড়কসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান মেঘনায় ভেঙে গেছে। চলমান আছেতীব্র ভাঙন।

কিন্তু ‘পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ভাঙন প্রতিরোধে আশানুরূপ কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। পাউবোর দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা নানা অনিয়ম করে আজ ভোলার এই দুরাবস্থা করেছে। ভাঙন প্রতিরোধে তারা কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।

আমরা অবিলম্বে একনেকে প্রকল্প পাশ ও সেনাবাহিনীর উপস্থিতিতে সিসিবøক ফেলে মেঘনার তীর সংরক্ষণ চাই। নইলে কঠোর আন্দোলনে যাবো।’

এদিকে মানববন্ধন শেষে বিক্ষোভ মিছিলসহ ভোলা যুগীরঘোলে পানি উন্নয়ন বোর্ড ঘেরাও করে। এসময় পাউবোর সামনে ভোলা-চরফ্যাসন মহা সড়কের রাস্তায় শুয়ে আন্দোলনকারীরা বিক্ষোভ করে।

প্রায় এক ঘন্টা রাস্তা অবরোধ থাকা সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকে। পওে পাউবোর কর্মকর্তার আশ্বাসে তারা ঘেরাও কর্মসূচী প্রত্যাহার করে।

উল্লেখ্য ইতিপূর্বে ‘উত্তর ভোলা বাঁচাও সংগ্রাম কমিটি’ টানা ১০ দিন আন্দোলন করেছে।

এসএইচ