ঝিনাইদহ সদরের কুমড়াবাড়িয়া গ্রামের মৃত.হারান বিশ্বাসের ছেলে ইনছার বিশ্বাস (৪৫) নামে এক ব্যাক্তিকে ৯ই ডিশেম্বর শুক্রবার রাত ৯ টার দিকে হাতুড়ি, রড, কুড়াল দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জখম করেছে প্রতিপক্ষরা।
গ্রামবাসী সুত্রে জানাগেছে, কুমড়াবাড়িয়া গ্রামের মৃত. হারান বিশ্বাসের ছেলে ইনছার বিশ্বাসের বড় ভাই বুরাকের সাথে দির্ঘদিন ধরে জমিজমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।
ঘটনার দিন শুক্রবার রাত ৯টার দিকে ইনছার নগর বাথান বাজারের কনেজপুর গ্রামের ইসলাম ও লালচাঁনের কাছ থেকে বন্ধকী জমি ফেরৎ বাবদ পঞ্চাশ হাজার টাকা নিয়ে বাড়িতে ফেরার সময় নগর বাথান বাজারের পুটপুটি খাবারের দোকান ও বাবলুর সারের দোকানের সামনে পৌছান মাত্রই পূর্ব শত্রুতার জের ধরে, পূর্ব পরিকল্পনা মোতাবেক, কুমড়াবাড়িয়া গ্রামের মৃত.হারান বিশ্বাসের ছেলে বুরাকের নেত্রিত্বে, একই গ্রামের বাকরামের ছেলে-ঝন্টু, ওদুদের ছেলে-টিয়ে, বুরাকের ছেলে-মিঠু হাতুড়ি, রড ও কুড়াল দিয়ে ইনছারকে হত্যার উদ্দেশ্যে পিটিয়ে জখম করে ও কাছে থাকা পঞ্চাশ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়।
ইনছারের চাচাতো ভাই আলমগীর ও ছেলে সেলিম সাংবাদিককে বলেন, ইনছার রক্তাক্ত অবস্থাই নগর বাথান বাজারে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়দের মধ্যে কুমড়াবাড়িয়ার আলম, মিজান, মিলন, তাকে উদ্ধার করে সোহেলের ভ্যান যোগে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। তাছাড়া আমরা কাতলামারি ক্যাম্পে এ বিষয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করেছি।
এদিকে গ্রামবাসী ও ইনছারের পরিবার অভিযোগ করে বলেন, বুরাক অর্থবিত্ত ও ক্ষমতাশালী হওয়ার কারনে গায়ের জোরে বছরের পর বছর ধরে গ্রামের মন্ডল মাতব্বর, চেয়ারম্যানের মিমাংসা শালীসের ও আইন আদালতের রায় তোয়াক্কা না করে, ইনছারের নামে বার বার হামলা ও মামলা করে আসছে।
এ বিষয়ে ঝিনাইদহ সদর থানার কুমড়াবাড়িয়া ইউনিয়নের কাতলামারি ক্যাম্পের ইনচার্জ মোঃ নবাব আলীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ইনছার বিশ্বাসের ছেলে সেলিম এ বিষয়ে কাতলামারি ক্যাম্পে অভিযোগ করেছে। ঘটনার তদন্তের কাজ চলছে, তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।
তারিক/এআই





