নির্বাচন অবাধ, নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করার লক্ষ্যে মাদারীপুর সদরের ১৫টি ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি স্পর্শকাতর স্থানে সেনাবাহিনীর সার্বক্ষণিক নজরদারী অতি জরুরী বলে তিনি মনে করেন। আসন্ন ২৬ জুন মাদারীপুর সদর উপজেলা নির্বাচনকালে সেনা বাহিনী মোতায়নের এ দাবি জানিয়েছেন ১৯ দলীয় জোটের জামায়াতের প্রার্থী কাজী আবুল বাসার।
কেননা বর্তমানে নির্বাচনী প্রচারাভিযানে নেতা কর্মী সর্মথক ও ভোটারদেকে বিভিন্নভাবে ভয়-ভীতি দেখানো হচ্ছে বলেও এই প্রার্থীর অভিযোগ। শুক্রবার রাতে শহরের লালুনা রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে চেয়ারম্যান প্রার্থী কাজী আবুল বাসার সাংবাদিকদের কাছে এ অভিযোগ করেন।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচনী মনোনয়নপত্র দাখিলের পর আমি গ্রামাঞ্চল ঘুরে ঘুরে দেখি ভোটারদের মাঝে উৎকণ্ঠা ও হতাশা বিরাজ করছে। অনেক ভোটাররা নির্বাচন সহিংসতার আশঙ্ককা করছে। নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যাপারে সেনাবাহিনীর উপস্থিতির প্রয়োজনীয়তা অনুভব করায় আমি সাম্প্রতিক মাদারীপুরে সফর করতে আসা নির্বাচন কমিশনার জাবেদ আলীর নিকট ভোটারদের উৎকণ্ঠার কথা জানিয়েছি। নির্বাচন কশিমনার বিষয়টি ভেবে দেখবেন বলে জানিয়েছে।
তিনি আশঙ্কা ব্যক্ত করে আরো বলেন, শিবচর উপজেলা নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের নেতা কর্মীরা সকাল ১০ টার মধ্যে বিরোধী ১৯ দলীয় জোটের প্রার্থীদেরকে মারধর করে সকল ভোট কেন্দ্র্র জোরপুর্বক দখল করে বিজয়ী হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে মাদারীপুর সদর উপজেলার নির্বাচন শিবচরের নির্বাচনের মতো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই মাদারীপুর সদর উপজেলার নির্বাচন শিবচরের মতো না হয় সে ব্যাপারে সাংবাদিক ও প্রশাসনের সজাগ থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।
ঢাকা,১৫ জুন (টাইমনিউজবিডি.কম)// এসএইচ