ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার নন্দুয়ার ইউনিয়নে হতদরিদ্রদের জন্য সরকারি ১০ টাকা কেজির চালের কার্ড এক কলেজ শিক্ষক ও আওয়ামী লীগ নেতার নামে ইস্যু হওয়ায় এলাকায় ব্যাপক হৈচৈ, সমালোচনা চলছে।

জানা গেছে, নন্দুয়ার ইউনিয়নে মোট ১৪২০টি ইস্যুকৃত কার্ডের মধ্যে রাণীশংকৈল ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক, উপজেলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি ও স্থানীয় এমপি ইয়াসিন আলীর প্রতিনিধি সফিকুল আলমের নাম পাওয়া যায় কার্ড নং: ১০০৮। এছাড়াও ঐ তালিকায় আরোও কিছু সচ্ছল ব্যক্তির নাম পাওয়া যায়। এর মধ্যে ঐ কার্ডের মাধ্যমে এক দফা চালও উত্তোলন করা হয়। এ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় শুরু হলে গত ১০ অক্টোবর সোমবার উপজেলা হলরুমে আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় বিষয়টি উত্থাপিত হয়।

সভায় উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অধ্যাপক সাইদুল হক তার বক্তব্যে ঐ বিষয়ের সুষ্ঠ তদন্তের প্রস্তাব করেন। সভায় উপস্থিত কমিটির উপদেষ্টা ৩০১ আসনের এমপি সেলিনা জাহান লিটা অবিলম্বে ঐ তালিকা থেকে ধনী স্বচ্ছলদের বাদ দিয়ে প্রকৃত দরিদ্রদের তালিকাভুক্ত করে পরে সরকারের মহত্ কর্মসূচি সফল করার জন্য ইউএনও কে নির্দেশ দেন।

এ ব্যাপারে ঐ ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি আবু সুলতান বলেন, ১৭ সদস্য বিশিষ্ট তালিকা প্রস্তুত কমিটির আমি একজন সদস্য মাত্র, এখানে আমার তেমন কোনো ক্ষমতা নেই। ইউএনও খন্দকার মো. নাহিদ হাসান বলেন, এ বিষয়ে আমি ইতোমধ্যেই ৩ সদস্য বিশিষ্ট্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই ঐ তালিকা সংশোধন করা হবে। এ দিকে প্রভাষক সফিকুল আলম বলেন, ঐ কার্ড আমার হাতে নেই এবং কোন চালও আমি তুলিনি। এটা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, আমি সে ষড়যন্ত্রের শিকার।

এসএ