টঙ্গীতে গভীর রাতে সাত বছরের প্রতিবন্ধী ছেলেকে হত্যা করে বাবার আত্মহত্যার অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার গভীর রাত ৩টার দিকে টঙ্গীবাজার বস্তাপট্টি এলাকা থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহতরা হলেন- আবাদুল হালিম (৩০) ও তার ছেলে রোমান (৭)।
নিহত আবদুল হালিম ও রোমানের গ্রামের বাড়ি নরসিংদীর বেলাবো থানার বটেশ্বর এলাকায়। হালিম টঙ্গীবাজার এলাকার ফুটপথের মসলার দোকানি।
টঙ্গী থানার ওসি মো. কামাল হোসেন জানান, হালিম তার চার সন্তান ও স্ত্রীসহ টঙ্গীবাজার এলাকার ব্যবসায়ী মো. শাহজাদা আলমের বাসভবনের ৫ম তলায় ভাড়া থাকতেন।
মঙ্গলবার রাতের খাবার খেয়ে হালিমসহ সবাই ঘুমিয়ে পড়েন। একপর্যায়ে রাত আড়াইটার দিকে ঘুম ভেঙে গেলে স্ত্রী স্নেহা বেগম বসতঘরের বাইরে বের হন। এ সময় ওই বসতঘরের বারান্দার গ্রিলের সঙ্গে স্বামীর মরদেহ গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝুলে থাকতে দেখেন এবং তার শারীরিক প্রতিবন্ধী ছেলে রোমানের মরদেহ বারান্দার মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন।
পরে তার চিৎকারে প্রতিবেশীরা তাদের বাসায় যান এবং পুলিশে খবর দেন।
রাত ৩টার দিকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে নিহত হালিমের মামা কাঞ্চন মিয়া অভিযোগ করে বলেন, স্ত্রীর বড়ভাই দুলালের সঙ্গে মসলা ব্যবসা নিয়ে হালিমের প্রায়ই ঝগড়া বিবাদ হতো। ইতিপূর্বে দুলাল তার ভগ্নিপতি হালিমকে কয়েকবার মারধর করেছেন। ওই জেরে দুলাল মিয়া এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে থাকতে পারে।
এ বিষয়ে ওসি কামাল হোসেন আরও বলেন, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে সংসারে অভাব-অনটনের কারণে আবদুল হালিম রোমানকে হত্যার পর নিজে আত্মহত্যা করেছেন।
স্ত্রীর ধারণা, ঘুমন্ত অবস্থায় বালিশচাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে রোমানকে হত্যার পর তার লাশ বারান্দায় ফেলে রাখা হয়েছে।
এমআর





