টেকনাফ করিডরে মিয়ানমার থেকে বৃহস্পতিবার একদিনে ২৮৬টি গবাদি পশু আমদানি করা হয়েছে। কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে ট্রলারযোগে এ সব গবাদি পশু আমদানি করা হয়। আমদানি করা গবাদি পশু উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর রাজস্ব প্রদানের ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে।

টেকনাফ শুল্ক স্টেশনের কাস্টম সুপার মো. নূরে আলম বৃহস্পতিবার বিকালে জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় মিয়ানমার থেকে ৫টি ট্রলারে করে ২২৯টি গরু, ৫৭টি মহিষ আমদানি করা হয়। যা থেকে সরকার একদিনে ১ লাখ ৪৩ হাজার টাকার রাজস্ব আদায় করে। আমদানি করা প্রতি গরু-মহিষ ৫০০ টাকা হারে রাজস্ব আদায় করা হয়।

এ করিডরের গবাদি পশু ব্যবসায়ী মো. সহিদুল ইসলামের ১২০টি গরু, আতিকুর রহমানের ৬০টি গরু ও ২৫টি মহিষ, আব্দুস শুক্কুরের ২৪টি গরু ও ২৭টি মহিষ, সাবরাং ইউপি চেয়ারম্যান হামিদের ১২টি গরু ও ৫টি মহিষ, রফিকুল আলমের ১৩টি গরু আমদানি করা হয়।

করিডর ব্যবসায়ী মো. সহিদুল ইসলাম জানান, কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে মিয়ানমার থেকে গবাদি পশু আসা শুরু হয়েছে।

টেকনাফ শুল্ক স্টেশনের কাস্টম সুপার মো. নূরে আলম আরও জানান, গবাদি পশু প্রতিবছর সরকারি রাজস্ব প্রাপ্তিতে ব্যাপক ভূমিকা রেখে যাচ্ছে। চলতি বছর রোগব্যাধি ও বৈরী আবহাওয়ার পরও গবাদি পশু আসছে। তবে ভাইরাস এবং করিডরে গরু রাখার স্থান সংকট কেটে গেলে পশু আমদানি আগের অবস্থায় ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

ঢাকা, ৫ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, জেআই