কমলাপুর রেলস্টেশনে সকাল থেকেই হাজার হাজার মানুষ ভিড় জমিয়েছেন। আজ সোমবার ঈদযাত্রায় বলাকা এক্সপ্রেসের মাধ্যমে যাত্রা শুরু হলেও শিডিউল অনুযায়ী ট্রেন ছাড়ছে না স্টেশন।
রেল কর্তৃপক্ষ বলছে, শেষ সময়ে যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপের কারণে ট্রেনগুলো ধীর গতিতে চলছে। আর অনেক ট্রেনও সময় মতো ঢাকায় পৌঁছাতে পারছে না। তাই ঢাকা ছাড়তেও এসব ট্রেনের দেরি হচ্ছে।
আজ সোমবার সময় মতো অনেক ট্রেন কমলাপুর স্টেশনে এসে পৌঁছায়নি। ফলে এদশের বিভিন্ন গন্তব্যের উদ্দেশে যাত্রী নিয়ে যাত্রাও করতে পারছে না। আর এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদের ভাগাভাগি করতে গ্রামে ফেরার অপেক্ষায় হাজার হাজার মানুষ।
সূচি বিপর্যয়ের একই অবস্থা ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ রুটের বিশেষ ট্রেন ‘দেওয়ানগঞ্জ ঈদ স্পেশাল’, ও লালমনিরহাট-ঢাকায় চলাচলকারী ‘লালমনি স্পেশালে’রও।
এদিকে অনেক যাত্রীরা জানিয়েছেন, সকাল সাড়ে ৭টা থেকে স্টেশনে বসা। সকাল ৮টায় ট্রেন ছাড়ার কথা থাকলেও সাড়ে ৯টা বাজে অথচ ট্রেন এখনো আসে-ই নি। এভাবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে অপেক্ষা করতে করতে অসুস্থ হয়ে পড়ছি।
এদিকে আজ এক লাখেরও বেশি যাত্রী ট্রেনযোগে বাড়ি ফিরবেন। যাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে অতিরিক্ত বগিসহ ৫৯টি ট্রেন কমলাপুর স্টেশন থেকে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে ছেড়ে যাবে।
সূত্রে জানা যায়, আজ দেশের বিভিন্ন স্থানের উদ্দেশে মোট ৫৯টি ট্রেন ঢাকা থেকে ছেড়ে যাবে। এর মধ্যে ৩১টি আন্তঃনগর, পাঁচটি ঈদ স্পেশাল, আর বাকিগুলো লোকাল ও মেইল সার্ভিস। যাত্রার দিন স্টেশন থেকে লোকাল ও মেইল সার্ভিসের টিকিট দেওয়া হচ্ছে। একইসঙ্গে যাত্রীদের অনুরোধে দেওয়া হচ্ছে দাঁড়ানো টিকিটও।
বিনা টিকিটে কমলাপুর স্টেশনের ভেতরে কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। স্টেশনের মূল ফটকে টিকিট দেখিয়ে ভেতরে প্রবেশ করতে হচ্ছে। যাত্রীদের তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করছেন রোভার স্কাউট ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সদস্যরা।
স্টেশনে রয়েছেন র্যাব, পুলিশ, রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যসহ আনসার সদস্যরা। কোনো যাত্রীকে ঝুঁকিপূর্ণভাবে ট্রেনের ছাদে বা বগির বাফারে না ওঠার জন্য এদিন অনুরোধ জানান স্টেশন ম্যানেজার।
জেড





