মঙ্গলবার থেকে টানা ৩ দিনের প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে খাগড়াছড়ি জেলা সদরসহ দীঘিনালা উপজেলার পাঁচ শতাধিক পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। পানিবন্দী হয়ে এসব মানুষ জেলা শহরের উচু ভবন ও স্থানীয় বিদ্যালয়গুলোতে আশ্রয় নিয়েছে। সবজিক্ষেত ও মৎস্য খামারসহ আমন খেতের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, খাগড়াছড়ি জেলা সদরের মুসলিমপাড়া, মেহেদীবাগ, সবজি বাজার, শান্তিনগর, বাঙ্গালকাঠি, গঞ্জপাড়া, গোলাবাড়ি, খবংপুড়িয়ার নিমাঞ্চল হাঁটু থেকে গলা সমান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এতে এসব এলাকার চার শতাধিক পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। দীঘিনালা উপজেলার বোয়ালখালী ও মেরুং ইউনিয়নের দেড় শতাধিক পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।
বৃস্পতিবার সকালে খাগড়াছড়ি পৌরসভার মেয়র মো. রফিকুল আলম জেলা সদরের বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্থদের ত্রাণ সহায়তার আশ্বাস দেন। পৌর এলাকায় আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলেও তিনি জানান।
এদিকে বৃহস্পতিবার বিকালে বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন করেছে খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতারা। জেলা বিএনপি সিনিয়র সহ-সভাপতি প্রবীন চন্দ্র চাকমার নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে অন্যান্যের মধ্যে সাংগঠনিক সম্পাদক মো: মোস্তাফিজুর রহমান মিল্লাত উপস্থিত ছিলেন।
দীঘিনালা উপজেলার মেরুং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন জানান, প্রবল বর্ষণে মাইনী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ফের বন্যা দেখা দিয়েছে। ইতিমধ্যে শতাধিক পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।
এছাড়া খাগড়াছড়ির চেঙ্গী, মাইনী ও ফেনী নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
ঢাকা, ১৪ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, এআর





