সময় যত গড়াচ্ছে ততই শক্তিশালী হয়ে উঠছে ঘূর্নিঝড় সিত্রাং। ঝড়টির প্রভাবে মোংলা সমুদ্র বন্দর ও তৎসংলগ্ন এলাকাকে ৭ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদফতর। মংলায় পণ্য ওঠা নামার কাজ বন্ধ রয়েছে। সিত্রাংয়ের কারণে পাঁচটি বাণিজ্যিক জাহাজ মোংলা বন্দরে ঢুকতে পারছে না।
এদিকে সিত্রাংয়ের কারণে উপকূলীয় এলাকায় মানুষের মধ্যে ভয়াবহ আতঙ্ক বিরাজ করছে। এরই মধ্যে জেলার ৩৪৪টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখার পাশাপাশি উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদে আশ্রয়ে সরিয়ে নেয়ার কাজ শুরু করেছে জেলা প্রশাসন, রেড ক্রিসেন্টের সদস্য ও স্বেচ্ছাস্বেবী সংস্থাগুলো।
এছাড়া সিত্রাং মোকাবেলায় জেলায় ২৯৮ টন চাল ও নগদ ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় জেলার নয়টি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসক মো. আজিজুর রহমান। ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে পাঁচ থেকে সাত ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা করছে বাগেরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ড। শরণখোলার বেড়িবাঁধকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
মোংলা উপজেলা আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা অমরেশ চন্দ্র ঢালী জানান, শক্তি বাড়িয়ে গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। সময়ের সাথে সাথে বৃষ্টি ওবাতাসের গতিবেগ বাড়ার সাথে সাথে ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। পরিস্থিতি বুঝে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত জারি করা হয়েছে। যদি প্রতি ঘন্টায় ৭৫ থেকে ৮০ কিলোমিটার হয় তাহলে এটি সাইক্লোনে রূপ নিতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি।
এবিএস





