যশোরের বেনাপোল পৌরসভার প্যানেল মেয়র ও শার্শা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি তারিকুল আলম তুহিন নিখোঁজের চার বছর পূর্ণ হলেও এখন ফিরে আসেননি তিনি। গত ২০১৩ সালের ৭ মার্চ এই দিনে তুহিন ঢাকার সংসদ ভবনের সামনে থেকে নিখোঁজ হন। 

তুহিন নিখোঁজের ২০ দিন পর স্ত্রী সালমা পুত্রসন্তানের মা হন। তিনি বলেন, ‘আমার ছেলের মুখের দিকে তাকাতে পারি না। ওর কথা মনে হয়। আমি আমার স্বামীকে সুস্থ শরীরে ফিরে পেতে চাই।’

২০১৩ সালের ৩ মার্চ মেয়র আশরাফুল আলম লিটন ও প্যানেল মেয়র তারিকুল আলম তুহিন গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে মেয়র ও তুহিনের বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এদিন রাতে র‌্যাব তুহিনের বাড়িতে হানা দেয়।পরদিন ৪ মার্চ সকালেই তুহিন ঢাকায় চলে যান। সেখানেই অবস্থান করতে থাকে তুহিন।

৭ মার্চ এই দিনে তুহিন ঢাকার সংসদ ভবনের সামনে থেকে নিখোঁজ হন। এরপর থেকে এখনও খোঁজ মেলেনি তুহিনের। 

তুহিনের নিখোঁজ বা গুমের ঘটনার ৫ দিন পর ১২ মার্চ তার চাচাতো ভাই সুমন ঢাকার শেরেবাংলা নগর থানায় প্রথমে একটি জিডি করেন। পরে একটি মামলাও করা হয়। অদৃশ্য ইশারায় মামলার ঘটনা ধামাচাপা পড়ে যায়। ফলে উদ্ধার হয়নি নিখোঁজ বা গুম হওয়া তুহিন।

ঘটনার ৭ মাস পরে মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পায় ঢাকা গোয়েন্দা পুলিশ। ওই মামলার সূত্র ধরেই গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল মাঠে নামে।এরপর চার বছর কেটে গেলেও এখনো তুহিনের কোন সন্ধান দিতে পারিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

নাসের/নাজিব