সাগর কন্যা কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে শনিবার বিকেলে ও রবিবার সকালে দু’দফায় অন্তত ১৮টি টিনসেট ঘর তুলে প্রশাসন ও ক্ষমতাশীন দলের নামে দখল নেওয়া হয়েছে। মহিপুর ভূমি অফিসের নিয়ন্ত্রনাধীন কুয়াকাটার নারিকেল বাগান খ্যাত সরকারি সম্পত্তি দখলের মহোৎসবে নেতৃত্ব দিয়েছেন সেখানকার কেয়ারটেকার।
ওই সম্পত্তি দেখভালের দায়িত্বে থাকা কেয়ারটেকার কুদ্দুস জানান, ইউএনও, এসিল্যান্ড ও মহিপুরের তহশীলদার তাদের অনুমতি নিয়ে এসব ঘর তোলা হয়েছে ।
সরেজমিনে জানা যায়, প্রতিটি ঘর তোলার ক্ষেত্রে ২০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে দখল নেওয়া কয়েকজন ঘর মালিক সাংবাদিকদের কাছে বিষয়টি স্বীকারও করেছেন। কেয়ারটেকার কুদুস কুয়াকাটার ৪জন ক্ষমতাসীন রাজনীতিকের নাম উল্লেখ করে বলেন, ‘হ্যাগো একটা কইর্যা ঘরের টাকা দেওয়া অইছে।’ এ তালিকায় পটুয়াখালীর এক সাংবাদিকের নামও রয়েছে বলে কুদ্দুসের দাবি।
আকস্মিক কুয়াকাটা সৈকত দখল করে অপরিকল্পিত স্থাপনা তোলার ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে মহিপুরের তহশীলদার মোঃ সেলিম তার সম্পৃক্ত থাকার কথা অস্বীকার করে জানান, তারা এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে কলাপাড়া এসিল্যান্ড, ইউএনও এবং পটুয়াখালী জেলা প্রশাসককে জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে ইউএনও এবিএম সাদিকুর রহমান বলেন, আমাদের জানিয়ে অবৈধ স্থাপনা তোলার প্রশ্নই ওঠেনা। এসব উচ্ছেদে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জেলা প্রশাসককে এ ব্যাপারে ফোন করা হলে তিনি একটি সভায় ব্যস্ত থাকায় তার সাথে কথা বলা যায়নি।
হোসাইন/জারিফ





