সেনা ও পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকলেও গত তিন দিনেও খোঁজ মেলেনি বান্দরবানে অপহৃত আওয়ামী লীগ নেতা মং পু মারমার।

এদিকে, ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ এনে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির ৩৮ নেতাকর্মীকে আসামি করে বান্দরবান সদর থানায় মামলা করা হয়েছে। অপহৃত মং পু মারমার মেয়ের জামাই হ্লা মং চিং-এর দায়ের করা মামলার জের ধরে বুধবার সকালে শহরের উজানিপাড়া এলাকা থেকে জনসংহতি সমিতির সদর উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক উ সা চিং মারমাকে আটক করেছে পুলিশ।

অপরদিকে, জনসাধারণের অসুবিধার কথা বিবেচনা করে জেলার সাতটি উপজেলার মধ্যে লামা, আলীকদম ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় অনির্দিষ্টকালের অবরোধ প্রত্যাহার করে নিয়েছে আওয়ামী লীগ।

জেলা আওয়ামী লীগ নেতা এ কে এম জাহাঙ্গির জানান, মং পু মারমা মুক্তি না পাওয়া পর্যন্ত সদর উপজেলা, রুমা, থানচি এবং রোয়াংছড়ি উপজেলায় অবরোধ অব্যাহত থাকবে।

গত ১৩ জুন রাতে বান্দরবান সদর উপজেলার জামছড়ি মুখ পাড়ার নিজ বাড়ি থেকে সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক ইউপি মেম্বার মং পু মারমাকে অপহরণ করা হয়।

বান্দরবান জেলা আওয়ামী লীগ ওই অপহরণের জন্য পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকে দায়ী করে মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত তাঁকে সুস্থ অবস্থায় ছেড়ে না দিলে বুধবার ভোর ৬টা থেকে অনির্দিষ্টকালের অবরোধ কর্মসূচির আলটিমেটাম দেয়।

এফএফ