চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের মুক্তিরকান্দি-গোপালকান্দি রাস্তার মুক্তিরকান্দি উত্তর মাথায় ভান্ডারী বাজার এলাকার রাস্তার মাঝে অবস্থিত কালর্ভাটটির মধ্য অংশ ভেঙ্গে গেছে। দেখলে মনে হয় যেন মরণ ফাঁদ।

কালভার্টটি ভাঙ্গার কারণে সিএনজি, অটোবাইক, ট্রাক্টর, টমটম, নছিমন, করিমনসহ বড়বড় যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে এ রাস্তা দিয়ে এলাকার লোকজন তাদের প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র, ঘর বাড়ি তৈরীর মালামাল আনা নেয়া সম্বব হচ্ছেনা।

তাছাড়া এ এলাকার কৃষকরা আখ, ভূট্টা, ধান, পাট ও বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি উৎপাদন করে। কিন্তু কালর্ভাটটি ভেঙ্গে যাওয়ার কারণে পাইকারী ব্যবসায়ীরা আসেনা। তাই মাথায় ভোজা নিয়ে, আতাগাড়ি অথবা রিক্সা যোগে বেশী খরচ ও সময় খাটিয়ে কমমূল্যে বিক্রি করতে হয়।

মুক্তিরকান্দি গ্রামের কৃষক রফিক জানান, তিনি এ বছর প্রায় ১ একর দুটি জমিতে সশা বপণ করেছে, বাজারে ২০ টাকা কেজি বিক্রি হলেও যাতায়াত ভাড়া পরে কেজি প্রতি ৪ টাকা। কিন্তু রাস্তা ভালো হলে ও যানবাহন থাকলে খরচ হতো ৫০ পয়সা।

একই গ্রামের দেলোয়ার হোমেন জানান, গত বছর তিনি ২ একর ৬০ শতক জমিতে ভূট্টা করেছিলেন, বাজার চড়া দামের সময় ৮শ ৫০ টাকা ধরে বিক্রি হলেও ব্যবসায়ীদের যানবাহন খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় আমাকে ৭শ ৯০ টাকা ধরে বিক্রি করতে হয়ে ছিল।

এই রাস্তা দিয়ে দৈনিক হাজার হাজার লোকজন যাতায়াত করছে। পাঠান বাজার আবেদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, পাঠান বাজার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৩৪ নং মুক্তিরকান্দি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, আমিয়াপুর হযরত বিবি মা ফাতেমা মহিলা মাদ্রাসার ছাত্র ছাত্রী ও বাংলাদেশ আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের সাবেক মহাসচিব আল্লামা হযরত আবদুল জলিল এর মাজার শরীফের বহু আশেকান ভক্তগন আসা যাওয়া করে।

এলকার সাধারন লোকজন জানান, এই কালবার্টটি মেরামত করা তাদের দীর্ঘ দিনের দাবী, অতি জরুরী এই কালবার্টটি মেরামত করা না হলে এ এলাকার মানষদের দুর্ভোগ মবেনা।

ইআর