গাইবান্ধা জেলার সাদুল্যাপুর উপজেলায় প্রেমের ফাঁদে ফেলে এক যুবককে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করার একদিন পর অপহৃত যুবক মোশারফ হোসেনকে (৩০) উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসময় অপহরণের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে জোৎস্না বেগম (২৫) ও এরশাদ আলী (২৮) নামে দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ।
সাদুল্যাপুর উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের কিশামত শেরপুর গ্রামের শাহিন মিয়ার বাড়ি থেকে বুধবার সকালে তাকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার পর অপহৃত যুবক মোশারফ হোসেন বাদী হয়ে সাদুল্যাপুর থানায় ১০ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেছেন।
জোৎস্না বেগম রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার পদ্মপুকুর গ্রামের রহিম উদ্দিনের মেয়ে ও এরশাদ আলী সাদুল্যাপুর উপজেলার কিশামত শেরপুর গ্রামের মকলেছুর রহমানের ছেলে। অপহৃত মোশারফ হোসেন রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার বিরাহিমপুর গ্রামের জাহেদুল ইসলামের ছেলে।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, মঙ্গলবার রাতে এরশাদ আলী ও জোৎস্না বেগমসহ ১০ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল জোৎস্না বেগমের মোবাইল ফোনে মোশারফকে প্রেমের ফাঁদ ফেলে সাদুল্যাপুর শহরে আসতে বলে। পরে মোশারফ সাদুল্যাপুর বাজারে এলে সংঘবদ্ধ দলটি তাকে ফুসলিয়ে উপজেলার কিশামত শেরপুর গ্রামের শাহিন মিয়ার বাড়িতে আটক করে রাখে।
এসময় তারা মোশারফকে বেধরক মারপিট করে তার পরিবারের কাছে মোবাইল ফোনে আড়াই লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন। পরে বিষয়টি মোশারফের পরিবার জানতে পেরে থানা পুলিশকে অবগত করে।
সাদুল্যাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রনি কুমার দাস জানান, সকালে খবর পেয়ে কিশামত শেরপুর গ্রামের শাহিন মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। এসময় হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মোশারফকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে দুইজনকে আটক করা হয়।
সাদুল্যাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরহাদ ইমরুল কায়েস জানান, আটক দুজনকে দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অপহরণের সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেফতারে পুলিশ তৎপর রয়েছে।
এমই





