শুক্রবার (১০ জুলাই) ভোরে মুকিম বাজারের চুরিওয়ালা পঞ্চায়েত কবরস্থানের বিপরীতে একটি চারতলা ভবনের নিচতলায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত দেলোয়ার হোসেনের বাড়ি যশোরের শার্শা উপজেলায়। তার বাবার নাম আব্দুল খালেক। তিনি ওই ভবনের তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকতেন।
দেলোয়ারের মোটরসাইকেলের গ্যারেজে কর্মরত তুষার ইসলাম রিফাত জানান, মুকিম বাজার মসজিদের পাশে ‘বাইক পার্ক সেন্টার’ নামে দেলোয়ারের একটি মোটরসাইকেল গ্যারেজ রয়েছে। দগ্ধ নাজমুলও সেখানে কর্মরত। ভবনের নিচতলায় দেলোয়ার তার ব্যবসার মালামাল রাখার জন্য একটি গোডাউন ব্যবহার করতেন।
রিফাত জানান, ভোরে গোডাউনে রাখা একটি গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়। বিকট শব্দ শুনে দেলোয়ার ও তার খালাতো ভাই নাজমুল তৃতীয় তলা থেকে নিচে নেমে আসেন। কী ঘটেছে, তা দেখতে গিয়ে আরেকটি বিস্ফোরণ হলে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এতে দুজনই ভেতরে আটকা পড়েন। স্থানীয় লোকজন নাজমুলকে উদ্ধার করতে পারলেও দেলোয়ার ভেতরেই আটকা পড়ে যান। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণে এনে তার মরদেহ উদ্ধার করেন।
রিফাত আরও জানান, ভবনের দ্বিতীয় তলায় বাড়ির মালিক থাকেন। রান্নার কাজে ব্যবহৃত গ্যাস সিলিন্ডারটি নিচতলার গোডাউনেই রাখা ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ওই সিলিন্ডার বিস্ফোরণের পরই আগুনের সূত্রপাত হয়।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে জানান, দেলোয়ারের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। দগ্ধ নাজমুল বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এনএইচ