শরীয়তপুরে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। পদ্মার পানি বিপদসীমার ৩৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড স্থানীয় সূত্র জানায়, উজান থেকে নেমে আসা ঢলে পদ্মার পানি বৃদ্ধি পেয়ে নড়িয়া উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলের ১০টি গ্রামের ৪ শতাধিক পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। কেদারপুর উচ্চবিদ্যালয়ের শ্রেণি কক্ষে পানি ঢুকে পড়েছে। এতে ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পদ্মার পানি বিপদসীমার ৩৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বন্যা কবলিত এলাকায় দেখা দিয়েছে পানিবাহী রোগের প্রাদুর্ভাব। এখনো ত্রাণ সহায়তা পৌঁছায়নি দুর্গত এলাকায়।

নড়িয়া উপজেলার চরজুজিরা গ্রামের হেনা বেগম বলেন, নদী ভাঙনে আমাদের জমিজমা সবকিছু শেষ হয়ে গেছে। এখন অন্যের জায়গায় আশ্রয় নিয়েছি। গত তিন দিন ঘরের মধ্যে পানিবন্দী হয়ে বসবাস করছি। চারটি ছেলেমেয়ে নিয়ে খেয়ে, না খেয়ে দিন কাটাচ্ছি। আমরা এখনো কোনো সহায়তা পাইনি।

শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক রামচন্দ্র দাস বলেন, বন্যা কবলিতদের তালিকা প্রস্তুত করার জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের বলা হয়েছে। তালিকা হাতে পেলেই খাদ্য সহায়তা পৌছে দেওয়া হবে।

ঢাকা, ২৯ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, জেআই