পবিত্র ঈদুল আযহার দ্বিতীয় দিনেও কোরবানি দিচ্ছেন রাজধানীর মগবাজার, মালিবাগ, চকবাজার, বকশিবাজার এলাকার অনেক বাসিন্দারা।
আজ (১২ আগস্ট) মঙ্গলবার ঈদের দ্বিতীয় দিন রাজধানীর অলিতেগলিতে কোরবানির চিত্র চোখে পড়ে। তবে ঈদের দিনের তুলনায় এর সংখ্যা কম।
ইসলামের বিধান অনুযায়ী, ঈদের দিন ছাড়াও জিলহজ্জ মাসের ১১ তারিখ (দ্বিতীয় দিন) এবং ১২ তারিখ (তৃতীয় দিন) দিনেও পশু জবাই করা যায়। যদিও বেশিরভাগ মানুষই ঈদের দিনটিকে পশু কোরবানির জন্য বেছে নেন, তারপরও কসাই সংকটের কারণে অনেকেই ঈদের দ্বিতীয় দিন কোরবানি দিতে বাধ্য হয়।
ঈদের দ্বিতীয় দিন কোরবানি দেয়া রাজধানীর বংশাল এলাকার বাসিন্দা হায়দার বলেন, অনেকটা ইচ্ছে করেই ঈদের পরের দিন কোরবানি করা। আমরা পুরান ঢাকার মানুষ ঈদের দিনটা নামাজ পড়ে বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে আনন্দের সময় কাটাই। দ্বিতীয় দিন পশু কোরবানি করে আনন্দ ধরে রাখি।
নবাবপুর এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, গতকাল কসাই পাইনি। একজন আসবে বলেছিলো কিন্তু আসেনি। তাই বাধ্য হয়েই আজ কোরবানি করছি।
মালিবাগ আবুল হোটেল এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, আমার প্রায় ৩ মণ ওজনের গরু ঈদের দিন সকালে কেটে দেয়ার জন্য ৮ হাজার টাকা চেয়েছে কসাই। কেউ ৭ হাজার বলেছে। তাই আমি এত টাকা খরচ না করে আজ কোরবানির সিদ্ধান্ত নেই।
আজ যারা পশু কোরবানি দিচ্ছেন তাদের বর্জ্য অপসারণে সকাল থেকেই কাজ শুরু করেছে সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা। তবে অনেক বাসিন্দাকেই নিজ দায়িত্বে বর্জ্য অপসারণ করতে দেখা গেছে। আর কোথাও আংশিক বর্জ্য থাকলে তা সিটি কর্পোরেশন থেকে অপসারণ করা হচ্ছে।
এমবি





