কুষ্টিয়ায় অনুমোদন ছাড়াই গড়ে উঠছে বহুতল ভবন। দিন দিন বহুতল ভবনের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেই সাথে বৃদ্ধি পাচ্ছে ফ্লাট ব্যবসা। তবে অধিকাংশ ভবনের মালিকরা নিয়মনীতি উপেক্ষা করে বহুতল ভবন নির্মাণ করছেন।
বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড (বিএনডিসি)'র তৃতীয় ও চতুর্থ অংশ না মেনেই এসব ভবন তৈরী করা হচ্ছে। বিল্ডিং গুলির নিরাপত্তার জন্য ফায়ার ও সেপ্টিপ্লান বাসস্তবায়ন করা হচ্ছে না।
জানা যায়, ছয় তলার উর্ধ্বে ভবন নির্মাণ করা হলে বহুতল ভবন বলে গণ্য করা হয়। এদিকে, কুষ্টিয়ার ফায়ার সার্ভিসে ৪তলা পর্যন্ত অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থা রয়েছে।
ফায়ার সার্ভিসের তথ্য মতে, শহরে ১৫টির অধিক বহুতল ভবন রয়েছে। তবে এগুলির মধ্যে ফায়ার সার্ভিসের নকশা অনুমোদন রয়েছে মাত্র ১টির। বাকি গুলির অনুমোদন নেই। বহুতল ভবনে বিকল্প সিড়ি ব্যবস্থা থাকা আবশ্যক হলেও বেশিরভাগ ভবনের বিকল্প সিঁড়ি নেই। যার কারণে ভবনে আগুন লাগলে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচা কঠিন হয়ে উঠবে।
তাছাড়া বিকল্প সিঁড়ি না থাকলে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরাই বা কিভাবে উপরে উঠে আগুন নেভাবে। এসব বিষয়ে আইন থাকলেও বিভিন্ন কারণে তা মানা হচ্ছে না। বিভিন্ন নামে গড়ে উঠছে বড় বড় টাওয়ার। বিক্রি করা হচ্ছে ফ্ল্যাট।
এ ব্যাপারে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কুষ্টিয়া কার্যালয়ের উপ-পরিচালক নুর হাসান আহমেদ জানান, বহুতল ভবনে নিজস্ব অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থা রাখতে হবে। সেটার নকশা ফায়ার সার্ভিস অনুমোদন করে দেবে।
তিনি জানান, কুষ্টিয়ায় বহুতল ভবনের মধ্যে একটি ভবনের মাত্র ফায়ার সার্ভিসের নকশা অনুমোদন রয়েছে। বাকি ভবনগুলির অনুমোদন নেই।
সুত্র জানায়, বহুতল ও বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর কর্তৃক ভবনের ছাড়পত্র গ্রহণ বাধ্যতামূলক। অথচ কুষ্টিয়া জেলায় ছাড়পত্র গ্রহণ না করে অনেক ভবন গড়ে উঠেছে।
লাইসেন্স গ্রহণ ব্যতিরেকে জেলার অনেক ব্যবসায়ী ব্যবসা পরিচালনা করছেন যা বেআইনি ও শাস্তি যোগ্য অপরাধ এবং একই সাথে ভবন ব্যবহারকারীদের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলে ফায়ার সার্ভিস জানায়।
এমকে





