সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ ধরার অপরাধে ভোলা সদর, তজুমদ্দিন, চরফ্যাশন ও মনপুরা থেকে ১৮ জেলেকে আটক করেছে পুলিশ, কোস্টগার্ড ও মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তরা।

এরমধ্যে ৪ জনকে এক বছর করে কারাদণ্ড এবং ৮জনের কাছ থেকে জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

রোবাবার ভোর থেকে সকাল সাড়ে ১১টা পর্যন্ত এ জেল জরিমানা আদায় করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, জসিম (৩২), শরীফ (৩৩), মোসলেউদ্দিন (২৮) ও শাহিন (২৯)। তাদের বাড়ি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা প্রীতিষ কুমার মল্লিক জানান, তজুমদ্দিনের মেঘনায় মাছ ধরার অপরাধে যৌথ টিম নদী থেকে ৬ জেলেকে আটক করে। এদের মধ্যে ৪ জনকে একবছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বাকি ২ জনকে ১০ হাজার জরিমানা আদায় করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইমতিয়াজ হোসেন এ জেল জরিমানা করেন।

অপরদিকে, সদরের বঙ্গের চর এলাকায় থেকে আটক ৬ জেলের কাছ থেকে ২১ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

চরফ্যাশন উপজেলার তেঁতুলিয়া নদীর ঘোষের হাট পয়েন্ট থেকে মৎস্য বিভাগের একটি টিম ৯টি ট্রলার আটক করেছে। তবে জেলেরা পালিয়ে যাওয়ায় তাদের আটক করা সম্ভব হয়নি।

এছাড়া সকাল ১১টার দিকে মনপুরার মেঘনা থেকে ৬জনকে আটক করেছে পুলিশ, কোস্টগার্ড ও মৎস্য বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত একটি টিম। তাদের জেল-জরিমানা করা হবে।

৫-১৫ অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম। এ সময় মাছ সাগর থেকে নদীতে এসে ডিম ছাড়ে। মাছের এ প্রজনন প্রক্রিয়া যাতে বাধাগ্রস্ত না হয়, সে জন্য ১১দিন ভোলার জলসীমার ১৯০ কিলোমিটার এলাকতায় সব ধরনের মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে মৎস্য বিভাগ।

এএইচ