ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় রাশিদা বেগম (৩০) নামে এক গৃহবধুকে নির্যাতনের পর চুল কেটে ন্যাড়া করে দিয়েছে সতিন ও তার ছেলে মেয়েরা।
মঙ্গলবার রাতে উপজেলার নুরুল্লাগঞ্জ ইউনিয়েনের ব্রাহ্মনকান্দা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
এলাকাবাসী রাশিদা বেগমকে গুরুত্বর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
রাতে ভাঙ্গা থানায় স্বামী কামরুল শেখ বাদি হয়ে প্রথম স্ত্রী ও তার ছেলে মেয়ে ও মেয়ের জামাইকে আসামি করে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ব্রাহ্মনকান্দা গ্রামের কামরুল শেখ প্রায় ২০ বছর যাবৎ সৌদি আরবে প্রবাস জীবন অতিবাহিত করেন। দীর্ঘ প্রবাস জীবনে অর্জিত সমুদয় টাকা পরিবারে সুখের জন্য প্রথম স্ত্রী রিক্তার নিকট পাঠায়।
দেশে ফিরে কামরুল তার পাঠানো টাকা ফেরত চাইলে পারিবারিক কলহ দেখা দেয়। এক মাস পূর্বে কামরুল শেখ একই গ্রামের রাশিদা বেগমকে বিয়ে করেন। বিবাহের খবর শুনে প্রথম স্ত্রী ও ছেলে-মেয়েরা ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রথম স্ত্রী রিক্তা বেগম, ছেলে পিঞ্জর (২২), মেয়ে ছনিয়া (২০) ও শাহানা (১৮) এবং মেয়েজামাই মহিউদ্দিন ও আজাদ সংঘবদ্ধ হয়ে রাশিদা বেগমের বাড়িতে গিয়ে হামলা চালায়।
এ সময় রাশিদাকে হাত পা মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মক যখম করে। তারপর বটি দিয়ে রাশিদার মাথার চুল কেটে ন্যাড়া করে দেয়। এ সময় কামরুলকেও মারধর করে।
এ ব্যাপারে ভাঙ্গা থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান বলেন, চুল কেটে নেয়া এবং তাকে শারীরিকভাবে আঘাত করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এমআর





