৫৫৫ কোটি টাকা ব্যয়ে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে প্রায় ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ ফ্লাইওভারের নির্মাণ কাজ আগামী সপ্তাহে শুরু হতে যাচ্ছে। মঙ্গলবার চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) সঙ্গে, এর নির্মাণ কার্যাদেশপ্রাপ্ত ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ম্যাক্স-রেন্কিন- জেভির চুড়ান্ত চুক্তি সই হচ্ছে।
আগামী সপ্তাহের যে কোনদিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চট্টগ্রামে এসে এ ফ্লাইওভারের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করবেন বলে সিডিএ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। চট্টগ্রামের ব্যস্ততম এলাকা মুরাদপুর মোড় থেকে লালখান বাজার মোড় পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কে এ ফ্লাইওভারটি নির্মিত হবে।
চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম জানান, দেশের বৃহত্তম বাণিজ্যিক নগরী এবং বন্দরনগরী চট্টগ্রামকে বিশ্বমানের নগরীতে পরিণত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সেই উদ্যোগের অংশ হিসেবে দীর্ঘ পরিকল্পনায় ৫৫৫ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রায় ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ ফ্লাইওভারটির নির্মাণ কাজের সূচনা হতে যাচ্ছে আগামী সপ্তাহে।
তিনি বলেন, কেবলমাত্র চট্টগ্রামবাসীর জন্যই নয়, দেশের সার্বিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এই প্রকল্প। এটি বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রাম মহানগরীর যান চলাচলের ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন সূচিত হবে। আগামী ২০১৬ সালের জুনে প্রকল্পটির কাজ সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।
চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ সূত্র জানায়, বন্দর নগরীতে দীর্ঘতম ফ্লাইওভার নির্মাণ কাজ শুরুর লক্ষ্যে প্রাথমিক ধাপের কাজগুলো ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। ফ্লাইওভারের নির্মাণ কাজ শুরুর আগে রাস্তার দুইধারে চারলেন সড়ক নিশ্চিত করার জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে সিডিএর প্রতি অনুরোধ জানানোর পর এ ব্যাপারে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের উদ্যোগ নিয়েছে সিডিএ।
সিডিএ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুচ ছালাম জানান, গত সপ্তাহেই প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামের এই ফ্লাইওভার নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করার কথা ছিলো। কিন্তু তিনি ইউএই সফরে যাওয়ায় আগামী সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া দিনক্ষণ অনুযায়ী মুরাদপুর থেকে লালখান বাজার পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই ফ্লাইওভারের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হবে।
জেআই





