ফেনীর দাগনভূঞা পৌর শহরে আশ্রাফুল উলুম মাদরাসা মসজিদ প্রাঙ্গনে জামায়াত নেতা মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের গায়েবানা জানাজা হওয়ার সময় যুবলীগের নেতা-কর্মীরা হামলা চালায়।

সেসময় জামায়াত-শিবিরের অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মীকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করে তারা।

রোববার বিকালে আসরের নামাজের পর ওই মসজিদ প্রাঙ্গনে জামায়াত নেতা মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের গায়েবানা জানাজা হওয়ার সময় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানা যায়, কামারুজ্জামানের গায়েবানা জানাজা পড়ার জন্য উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে জামায়াত-শিবির ও মুসুল্লীরা ওই মসজিদে আসেন।

খবর পেয়ে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতা-কর্মীরা মসজিদ ঘেরাও করে তাদের ওপর হামলা চালায়। পরে পুলিশে খবর দেয়। তারা মসজিদ থেকে অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মীকে ধরে বেধড়ক পিটিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।

এদের মধ্যে উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম দুলাল, পৌর সেক্রেটারি মাওলানা কামরুল ইসলাম, ছাত্রশিবিরের জেলা সেক্রেটারি মোজাম্মেল হোসেন, প্রাক্তন জামায়াত নেতা মাস্টার মোশাররফ হোসেন, মাওলানা হুমায়ুন কবীর রয়েছেন।

জেলা জামায়াতের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, সরকার দলীয় ক্যাডারদের সশস্ত্র হামলায় আরো অন্তত ১৫ জন নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। তারা দাগনভূঞা ও ফেনীর বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

ফেনীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সাইফুল হক জামায়াত-শিবির নেতা-কর্মীদের আটকের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এসএইচ